Home বাংলাদেশ

শেষ শ্রদ্ধায় ভক্তদের কান্না আর ফুলেল শুভেচ্ছা

গিটারের জাদুকর ও ব্যান্ড তারকা আইয়ুব বাচ্চুর শেষ শ্রদ্ধায় হাজার মানুষের ঢল নেমেছে। লম্বা লাইন ও সারিবদ্ধভাবে আইয়ুব বাচ্চুর ভক্ত, অনুরাগীরা তাকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। কেউ এই গায়কের জন্য কাঁদছেন। কেউবা তাকে হারানোর বেদনায় শোকে পাথর। কিংবদন্তি এই গায়কের নিথর দেহ ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছে।

সব শ্রেণী পেশার মানুষ আইয়ুব বাচ্চুকে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছেন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে। সম্মিলিত সংস্কৃতি জোটের উদ্যোগে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় আইয়ুব বাচ্চু মরদেহ আনা হয় শহীদ মিনারে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা এসময় উপস্থিত জনতাকে শৃঙ্খলায় আনতে হিমশিম খান। সঙ্গীত জগত থেকে শুরু করে সাংস্কৃতিক কর্মী, এমনকি সঙ্গীত পিপাসু সাধারণ মানুষের ঢল নামে শহীদ মিনারে।

শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে এসেছেন কুমার বিশ্বজিৎ, মানাম আহমেদ, প্রিন্স মাহমুদ শাফিন আহমেদসহ সংগীত ভুবনের অনেক তারকা। এ ছাড়া রয়েছেন অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তফা ও শমী কায়সার।

এছাড়াও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাংস্কৃতিক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, যুবলীগ মহানগর উত্তর, দক্ষিণ নতা-কর্মী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা আবু কাওসার ও জাসাস নেতৃবৃন্দসহ।

দুপুর সাড়ে ১২টার পর আইয়ুব বাচ্চুর মরদেহ শহীদ মিনার থেকে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রথম নামাজে জানাজা শেষ নিয়ে যাওয়া হবে চ্যানেল আই কার্যালয়ে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে নিজ বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হলে ব্যক্তিগত সহকারী ও গাড়ি চালক রুবেল দ্রুত স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে যাওয়ার আগেই তিনি চলে যান।

দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন আইয়ুব বাচ্চু। হৃদরোগের কারণে গত কয়েক বছর বারবারই হাসপাতালে এসেছেন চিকিৎসার জন্য। ২০০৯ সালে তাঁর হার্টে রিং পরানো হয়। দুই সপ্তাহ আগে শেষ তিনি স্কয়ার হাসপাতালে এসেছিলেন।