Home বিনোদন

উজ্জ্বল ক্যারিয়ার সত্ত্বেও ঝুঁকি নিয়ে সিনেমা করতে এসেছিলেন তারা

ভাল ছাত্র। পরীক্ষায় খুব ভাল মার্কস রয়েছে। সামনে উজ্জ্বল ক্যারিয়ার। কিন্তু মনের সুপ্ত বাসনা, বলিউডের অভিনেতা হবেন। এমন অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রী বলিউডে আছেন, সফল ক্যারিয়ার ছেড়ে যারা চলে এসেছিলেন কেবল অভিনয় করবেন বলেই। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক এমনই কিছু অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ক্যারিয়ারের গল্প।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, বলিউডে পা রাখার আগে এক জন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন তাপসী পান্নু। দিল্লির গুরু তেগ বাহাদুর ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেছিলেন ‘পিঙ্ক’-এর অভিনেত্রী। কিন্তু চাকরি করলে কী হবে? মন যে তার পড়েছিল সিনেমায়। আর তাড়াতাড়ি ডাকও চলে এসেছিল বলিউড থেকে।

সালমানের সঙ্গে ডেবিউ করেন সোনাক্ষী সিং। মুম্বাইতেই আর্য বিদ্যা মন্দিরে পড়াশোনা শুরু করেন অভিনেত্রী। কলেজ জীবনে সোনাক্ষীর পড়াশোনা এসএনডিটি উইমেনস ইউনিভার্সিটি-তে। তবে সোনাক্ষী কস্টিউম ডিজাইনার হিসেবেই বলিউডে পা রেখেছিলেন। আর তার অনেক পরে অভিনেত্রী হন।

১৭ বছর বয়সে লন্ডন পাড়ি দেন পরিণীতি। আর সেখান থেকে স্নাতক স্তরে তিনটি ডিগ্রি নিয়ে দেশে ফেরেন। ম্যাঞ্চেস্টার বিজনেস স্কুল থেকে বিজনেস, ফিন্যান্স আর ইকোনমিক্স-এ স্নাতক হন পরিণীতি। তবে পড়াশোনার পাশাপাশিই ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড ফুটবল ক্লাবে কাজও করেছেন তিনি। আর তার অনেক পরে পরিণীতির জীবনে আসে সিনেমা।

মুম্বাইয়ের জিডি সোমানি মেমোরিয়াল স্কুলে পড়াশোনা শুরু করেন অভিনেতা রীতেশ দেশমুখ। পরে কমলা রাহেজা বিদ্যানিধি ইনস্টিটিউট থেকে স্থাপত্য আর পরিবেশ বিদ্যায় স্নাতক হন রীতেশ। বলিউডে অভিনয় করার আগে নিউইয়র্কে একটি আর্কিটেকচারাল ফার্মে কাজ করছিলেন রীতেশ দেশমুখ।

বম্বে স্কটিশ স্কুলে পড়াশোনা শুরু করেন অভিনেতা জন আব্রাহাম। পরে জয় হিন্দু কলেজ থেকে ইকনমিক্সে গ্র্যাজুয়েট হন জন। বলিউডে ডেবিউর আগে মিডিয়া প্ল্যানার হিসেবে একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থাতেও কাজ করেন জন।

দিল্লির আর কে পুরমের ডিপিএস স্কুলে অভিনেতা রণদীপ হুডার পড়াশোনায় হাতেখড়ি। পরে উচ্চশিক্ষার জন্য মেলবোর্নে পাড়ি দেন রণদীপ। সেখানেই বিজনেস ম্যানেজমেন্টে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পাশ করেন অভিনেতা। দেশে ফিরে মার্কেটিং কোম্পানিতে কাজ শুরু করেন তিনি। আর তার পরেই রণদীপের জীবনে আসে সিনেমা।

মুম্বাইয়ের এইচ আর কলেজ অব কমার্স অ্যান্ড ইকোনমিক্স-এ পড়াশোনা করেন অভিনেতা রণবীর সিং। আর তার পর আমেরিকা চলে যান ব্যাচেলর অব আর্টস করতে। মুম্বাই ফিরে এসে বেশ কিছু বিজ্ঞাপনী সংস্থায় কপি রাইটার হিসেবেও কাজ করেছিলেন রণবীর।