ভিপি নুরের ‘গু’লিবিদ্ধ’ স্ট্যাটাস নিয়ে ধূম্রজাল

প্রকাশিত: মার্চ ২৫, ২০২১ / ১১:৩৩অপরাহ্ণ
ভিপি নুরের ‘গু’লিবিদ্ধ’ স্ট্যাটাস নিয়ে ধূম্রজাল

নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে সফরের বিরো’ধিতা করে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে যুব অধিকার পরিষদের ব্যানারে ডাকা হয় বি’ক্ষো’ভ মি’ছিল। অনুমতি না নিয়ে বি’ক্ষো’ভ করায় পুলিশ বা’ধা দেয়। এতে বি’ক্ষো’ভ’কা’রীদের সং’ঘ’র্ষ হয় পুলিশের। পরবর্তীতে নুরুল হক নুরের ফেসবুক পেজ থেকে দাবি করা হয় তিনি গুলি’বি’দ্ধ। পরবর্তীতে নুর লাইভে আসেন। এরপরই পোস্ট আর দেখা যায়নি। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা দেয় ধূম্রজাল।

পুলিশ জানায়, সং’ঘ’র্ষ চলাকালীন ‘শিশুবক্তা’ মাওলানা রফিকুল ইসলামসহ ৩৩ জনকে গ্রেফ’তার করা হয়। পরে অবশ্য বিকাল ৫ টার দিকে পল্টন মডেল থানা থেকে পরিবারের জিম্মায় মাওলানা রফিকুলকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এদিকে বি’ক্ষো’ভ মি’ছিল ও সং’ঘ’র্ষের ঘটনার পর দুপুর ১২টা ৫৪ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘Nurul Haque Nur’ নামের একটি পেজ থেকে ‘ভিপি নুর গুলি’বিদ্ধ হয়ে আ’হত’ উল্লেখ করে একটি স্ট্যাটাস দেওয়া হয়। এর ঠিক দুই ঘণ্টা ২৬ মিনিট পর অর্থাৎ বিকাল ৩টা ২০ মিনিটে একই ফেসবুক পেজ থেকে নুরুল হক নুর লাইভে আসেন।

এ সময় নুর দাবি করেন, আমি আল্লাহুর রহমতে এখনো পর্যন্ত ভালো আছি। সুস্থ আছি। ধন্যবাদ সবাইকে। যদিও লাইভ শেষ হওয়ার পর ‘ভিপি নুর গুলি’বিদ্ধ হয়ে আ’হত’ সংক্রান্ত স্ট্যাটাসটি আর সেখানে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

তবে এ বিষয়ে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

৩৪ মিনিটের ফেসবুক লাইভে নুরুল হক নুর বলেন, আমার ধারণা, পুলিশ এই মি’ছি’লে গু’লি ক’রেনি। গুলি করেছে ছাত্রলীগ-যুবলীগের ক্যাডাররা। আওয়ামী লীগ, যুবলীগের মধ্যে থাকা মোদির দালাল এবং র-এর এজেন্টরা। আজকে শান্তিপূর্ণভাবে আমরা মি’ছি’ল করছিলাম। সেখানে কেন পুলিশ-যুবলীগ-ছাত্রলীগ কোনো ধরনের উস’কানি ছাড়াই লা’ঠি’চার্জ করল? এবং মতিঝিলে আমরা যখন এসেছি, তারা অতর্কিতভাবে হা’মলা করল।

এ সময় ৩৮ জনকে আটক করা হয়েছে বলেও নুর দাবি করেন। পাশাপাশি তাদের মুক্তিও দাবি করেন তিনি।

লাইভে নুর আগামীকাল শুক্রবার (২৬ মার্চ) দলের নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে শাহবাগে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানান।

এদিকে মতিঝিলের সং’ঘ’র্ষ, আ’টক বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অ’বৈ’ধ সমাবেশ ও পুলিশের ওপর হা’ম’লা’র ঘটনায় আমরা মোট ৩৩ জনকে আ’টক করেছিলাম। তাদের মধ্যে ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলামকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ৩২ জন আমাদের হেফাজতে রয়েছে। তাদের বি’রু’দ্ধে মা’ম’লার প্রস্তুতি চলছে।

পুলিশ কর্মকর্তা সৈয়দ নুরুল ইসলাম বলেন, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের লোকজন বি’ক্ষো’ভ বা সমাবেশ করার আগে ডিএমপি থেকে অনুমতি নেয়নি। ফলে আমরা বা’ধা দিলাম। বাধা দিলে পুলিশকে লক্ষ্য করে হা’ম’লা করে তারা। এতে পুলিশের সাত সদস্য আ’হ’ত হয়েছেন। চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আমরা ভিপি নুরকে খুঁজছি।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন