মাদরাসার ছাত্রীকে ধ’র্ষ’ণের পর হ’ত্যা’র অভি’যোগ, আ’টক ১

প্রকাশিত: মার্চ ১৯, ২০২১ / ১১:২৩অপরাহ্ণ
মাদরাসার ছাত্রীকে ধ’র্ষ’ণের পর হ’ত্যা’র অভি’যোগ, আ’টক ১

নোয়াখালীর সদর উপজেলার চরমটুয়া ইউনিয়ন থেকে এক মাদরাসার ছাত্রীকে (১৬) তু’লে এনে ধ’র্ষ’ণের পর মা’র’ধর করে হ’ত্যা করার অভি’যোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার (১৯ মার্চ) সকাল ১১টায় মাইজদী রেললাইনের পাশে একটি ব্যাচেলর ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় নি’হতের স্বজনরা হাসপাতাল থেকে কথিত প্রেমিক রায়হানকে (১৯) আ’ট’ক করে পুলিশে সো’পর্দ করে। সে বেগমগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ খানপুর গ্রামের ডা. আবদুল মোতালেবের ছেলে। নি’হ’ত ওই কিশোরী স্থানীয় এক মাদরাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

নি’হ’তের পরিবারের অ’ভি’যোগ করেন, চরমটুয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের রাকিব (২০) ও রায়হান (২১) উদয় সাধুর হাট বাজার থেকে মাদরাসা ছাত্রীকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে তুলে নিয়ে যায়। পরে তারা তাকে মাইজদী বাজারের রেল লাইনের পাশে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে কথিত প্রেমিক রায়হানসহ একাধিক তরুণ মিলে ওই কি’শোরীকে ধ’র্ষ’ণ করে। সকাল ১১টার দিকে ভুক্ত’ভোগী কিশোরী কৌশলে তার বড় বোনকে ফোন করে ঘটনাটি জানায়। সে ফোনে বলে আপু আমার সব শেষ হয়ে গেছে। আমারে এখান থেকে নিয়ে যা। আমি মাইজদীর আশেপাশে আছি। তবে একবারে সঠিকভাবে বলতে পারব না কোথায় আছি। আমি পরে তোদের সব বলব। এর পরেই ধ’র্ষ’ণ’কা’রীরা নির্যা’তিতা কিশোরীর ফোন বন্ধ করে দেয় এবং ধ’র্ষ’ণ শেষে তাকে বে’ধ’ড়’ক মার’ধর করে হ’ত্যা করে। দুপুর দেড়টার দিকে অভি’যুক্ত রায়হান ওই কিশোরীকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে গুরু’তর আ’হ’ত অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃ’ত ঘোষণা করেন। হাসপাতালে ওই কি’শোরীর মর’দেহ রেখে সে পা’লিয়ে যাওয়ার সময় হাসপাতাল থেকে নি’হ’তের স্বজনরা তাকে আ’ট’ক করে পুলিশে সো’প’র্দ করে।

সুধারাম থানার ওসি সাহেদ উদ্দিনকে পরিবারের ধ’র্ষ’ণের অ’ভি’যোগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন, পরিবারের অ’ভি’যোগ এটি তাদের বিষয়। ম’র’দেহ ময়নাতন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের ম’র্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে এবং রিপোর্ট অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন