দেশে করোনা শনাক্তের হার ১০ শতাংশের বেশি

প্রকাশিত: মার্চ ১৯, ২০২১ / ০৫:১৩অপরাহ্ণ
দেশে করোনা শনাক্তের হার ১০ শতাংশের বেশি

করোনার সংক্র’মণ আবার বেড়ে চলেছে। দেশে করোনা শনাক্তের হার ২০ শতাংশেরও বেশি হয়েছিল গত বছরের মে মাসের শেষের দিকে। সেখান থেকে কমতে কমতে এই হার চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিন শতাংশের নিচে নেমে আসে। গত কয়েকদিন ধরে আবার করোনা শনাক্তের হার বাড়ছে। আজ তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০.০৪ শতাংশে।

আজ শুক্রবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ও আগের দেওয়া স্বাস্থ্য অধিধপ্তরের পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

গত বছরের মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে রোগী শনাক্তের হার কম ছিল। মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সংক্র’মণ বাড়তে শুরু করে। ওই মাসের শেষের দিক থেকে রোগী শনাক্তের হার ২০ শতাংশের ওপরে চলে যায়। এরপর গত বছরের আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত সেটি ২০ শতাংশের ওপরে ছিল।

এরপর থেকে নতুন রোগীর পাশাপাশি শনাক্তের হারও কমতে শুরু করেছিল। একপর্যায়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তা তিন শতাংশে গিয়ে ঠেকে। আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনা শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের গড় হার প্রায় ১৩ শতাংশ (১২ দশমিক ৯৮ শতাংশ)।

নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে আট হাজার ৬৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া দেশে নতুন করে আরও এক হাজার ৮৯৯ জন আক্রান্ত হয়েছে। দেশে মোট পাঁচ লাখ ৬৬ হাজার ৮৩৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে এক হাজার ৬১৮ জন। এ নিয়ে দেশে মোট পাঁচ লাখ ১৯ হাজার ১৪১ জন করোনা থেকে সুস্থ হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২১৯টি ল্যাবে ১৮ হাজার ৯১৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ ছাড়া নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১৮ হাজার ৯৮৭টি। এ পর্যন্ত দেশে মোট ৪৩ লাখ ৬৮ হাজার ১১১ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় নতুন ১৮ জন মৃতের মধ্যে পুরুষ ১১ জন ও নারী সাতজন। দেশে এ পর্যন্ত পুরুষ মারা গেছে ছয় হাজার ৫৩২ জন ও নারী দুই হাজার ১১০ জন। এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে দুজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে তিনজন ও ষাটোর্ধ্ব ১২ জন রয়েছেন।

২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের তিনজন, রংপুর বিভাগের একজন ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন রয়েছেন। এদের মধ্যে হাসপাতালে ১৬ জন ও বাড়িতে দুজন মারা গেছেন।

দেশে করোনাভাইরাসে প্রথম মৃত্যু ঘটে গত ১৮ মার্চ। এরপর গত ১৪ এপ্রিল ৩৮তম দিনে কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা এক হাজারে দাঁড়ায়।

করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ২১৪টি পরীক্ষাগারে ১১ হাজার ২২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। অ্যান্টিজেন টেস্টসহ পরীক্ষা করা হয় ১১ হাজার ১৪৮টি নমুনা।

গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৩.১৪ শতাংশ। মোট পরীক্ষায় এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় মোট মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

সূত্র : এনটিভি অনলাইন

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন