জুনায়েদ সিদ্দিকীর মেয়েকে বানাবেন কোরআনের হাফেজ

এক সময়ে জাতীয় দলের ওপেনিং পজিশনে দুর্দান্ত ব্যাটিং করতেন জুনায়েদ সিদ্দিকী। কিন্তু পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতার অভাবে সময়ের ব্যবধানেই হারিয়ে যান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায়ের ঘোষণার আগেই ‘সাবেক’ হয়ে গেছেন তিনি। জাতীয় দলের ‘সাবেক’ এ তারকা ক্রিকেটার নিজের মেয়েকে হাফেজা হিসেবে গড়ে তুলতে চান।

শনিবার রাতে যুগান্তরের সঙ্গে একান্ত আলাপে জুনায়েদ সিদ্দিকী বলেন, স্ত্রী আর মেয়েকে নিয়ে এবার উমরাহ করে এসেছি। আমার খুব ইচ্ছা আছে মেয়ে সুবহানা সিদ্দিকা জুনায়রাকে হাফেজা হিসেবে গড়ে তোলার। ওর এখন এক বছর ৮ মাস বয়স চলে, আশা করছি বড় হলে হাফেজা হিসেবে গড়ে তুলতে পারব।

একটা সময়ে স্মার্ট এবং ফ্যাশনেবল জীবনযাপন করা জুনায়েদ এখন ধর্মীয় বিধি-বিধান মেনে চলছেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, আগে ক্যাজুয়েল জিন্স-টিশার্ট সবকিছুই পরতাম। এখন বেশিরভাগ সময় পাঞ্জাবি-পাজামাই পরি। খেলার সময় ট্রাউজার-ট্র্যাকস্যুট পরি। এখন পোশাকের প্রতি আগের আকর্ষণটা নেই।

২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিকে অভিষেক হয় জুনায়েদ সিদ্দিকীর। একই বছরের ডিসেম্বরে ওয়ানডে দলে সুযোগ হয় তার। পরের বছর জানুয়ারিতে টেস্টে অভিষেক হয় তার। জাতীয় দলের হয়ে ১৯ টেস্ট, ৫৪টি ওয়ানডে ও ৭টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেন তিনি। দেশের হয়ে ৮০টি ম্যাচ খেলে দুই সেঞ্চুরি আর ১৪টি ফিফটির সাহায্যে ২ হাজার ৩২৪ রান করেন তিনি।

২০১২ সালের পর থেকে জাতীয় দলের বাইরে থাকা এ টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান এখনও দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন দেখেন। এ ব্যাপারে জুনায়েদ বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলতে গেলে ফিটনেস থাকতে হবে। পুরনো অনেককেই এখন সুযোগ দেয়া হচ্ছে। বয়স কোনো ব্যাপার নয়। পারফরম্যান্স আর ফিটনেসই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বোর্ডের বর্তমান চিন্তাধারা ভালো। আপনি পারফর্ম করলে আপনাকে দলে নিতে বাধ্য। গত বছর বিপিএলে ভালো করেছি, এবারো ভালো করার চেষ্টা করব।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত