কাদের মির্জার বি’রোধীরা রোববার আদালতে যাচ্ছেন

প্রকাশিত: মার্চ ১৩, ২০২১ / ১০:১৯অপরাহ্ণ
কাদের মির্জার বি’রোধীরা রোববার আদালতে যাচ্ছেন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ কাদের মির্জার বিরোধী পক্ষের মা’মলা রেকর্ড না করায় রোববার আদালতে যাবেন তারা।

আওয়ামী লীগের বিবদমান দুই গ্রুপের মধ্যে সং’ঘর্ষ এবং উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানের ওপর হামলা ও নিহত আলাউদ্দিন হত্যার ঘটনায় দুটি মা’মলায় মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে প্রধান আ’সামি করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

কিন্তু পুলিশ ওই দুটি মামলা রেকর্ড না করায় মুক্তিযো’দ্ধা খিজির হায়াতের স্ত্রী কোম্পানীগঞ্জ মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আরজুমান পারভীন এবং নিহত সিএনজি চালক ও শ্রমিক লীগ কর্মী আলাউদ্দিনের ভাই মো. ইমদাদ হোসেন রোববার সকালে নোয়াখালীর আদালতে মামলা দায়ের করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

নিহত শ্রমিক লীগ কর্মী আলাউদ্দিনের ছোটভাই মো. ইমদাদ হোসেন গত বৃহস্পতিবার বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে প্রধান আসামি, তার ভাই শাহাদাত হোসেন ও ছেলে মির্জা মাশরুর কাদের তাশিকসহ ১৬৪ জনের নাম উল্লেখ করে ৩০-৪০ জন অজ্ঞাতনামার বি’রুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় হ’ত্যা মা’মলার এজাহার দিয়েছিলেন। কিন্তু শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত পুলিশ এমদাদ হোসেনের দেয়া এজাহারটি রেকর্ড করেনি।

নিহত আলাউদ্দিনের ছোটভাই এমদাদ হোসেন শনিবার বিকালে বলেন, শুক্রবার পর্যন্ত কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ মা’মলা না নেয়ায় রোববার আদালত খোলার পর আদালতে হ’ত্যা মা’মলাটি দায়ের করা হবে।

অপরদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুক্তিযো’দ্ধা খিজির হায়াতের ওপর হা’মলার ঘটনায় তার স্ত্রী উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আরজুমান পারভীন শনিবার বিকালে বলেন,

গত ৯ মার্চ থেকে ১২ মার্চ শুক্রবার রাত ৯টা পর্যন্ত অনেক চেষ্টা করলেও কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ আমার মা’মলাটি রেকর্ড করেনি। মুক্তিযো’দ্ধা খিজির হায়াত অসুস্থ থাকার কারণে এখনও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার পরামর্শে মা’মলাটি আদালতে দাখিল করার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

মুক্তিযো’দ্ধা খিজির হায়াতের স্ত্রী আরজুমান পারভীন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একজন মুক্তিযো’দ্ধার ওপর প্রকাশ্য দিবালোকে হামলা করে আহ’ত করার ঘটনার পর পুলিশ মামলা না নেয়ায় বুঝা যাচ্ছে এখানকার মুক্তিযো’দ্ধারাও কত অসহায়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহিদুল হক রনি বলেন, আমি আইনশৃঙ্খলার কাজে ব্যস্ত ছিলাম। দুটি এজাহারই সংশোধন করে আনবেন বলে তারা জানিয়েছিলেন। এরপর থানায় এলেও তাদের সঙ্গে আমার দেখা হয়নি। পুলিশ মাম’লা রেকর্ড করেনি- এ কথাটি মোটেও সত্য নয়।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন