মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের বিশেষ অভিযানে ২৯৩ বিদেশি গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: মার্চ ৭, ২০২১ / ১১:৪৪অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের বিশেষ অভিযানে ২৯৩ বিদেশি গ্রেপ্তার

মালয়েশিয়ার পাইকারি বাজার ও একটি অ্যপার্টমেন্টে পৃথক অভি’যানে ২৯৩ বিদেশি অভিবাসীকে গ্রে’প্তা’র করেছে ইমিগ্রেশন বিভাগ।

অভিবাসন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (৫ মার্চ) দিবাগত রাতে কুয়ালালামপুরের পুডু এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্টে অভি’যান চা’লিয়ে ২০৫ জন এবং শনিবার (৬ মার্চ) সকাল ১১টায় সেলাঙ্গরের পাইকারি বজার থেকে ৮৮ জনসহ মোট ২৯৩ জন বিদেশি কর্মীকে গ্রে’প্তা’র করা হয়।

কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক হামিদি আদম জানিয়েছেন, অ্যাপার্টমেন্টে থাকা স্থানীয় বাসিন্দাদের অভি’যো’গের ভিত্তিতে ইমিগ্রেশন, লেবার ডিপার্টমেন্ট ও কুয়ালালামপুর ডিবি কেএলের ১১০ জন কর্মকর্তার নেতৃত্বে রাত সাড়ে ১১ টার দিকে অভি’যা’নটি পরিচালনা করা হয়।

হামিদি আদম সাংবাদিকদের আরও বলেন, অ্যাপার্টমেন্টে বসবাসরত মোট ৪২৫ বিদেশির মধ্যে ২০৩ জনের বৈ’ধ কোনো কাগজ পত্র নাথাকায় তাদের গ্রে’প্তা’র করা হয়। অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩৩ (আইন ১৫৫) এর ধারা ১৫ (১) (গ) এবং ৬ (১) (সি) এর আওতায় গ্রে’প্তা’র করা হয়েছে।

গ্রে’প্তা’র’কৃ’তদের মধ্যে বাংলাদেশি, ইন্দোনেশিয়ান, মিয়ানমার এবং নেপালি নাগরিক। এদের মধ্যে বেশিরভাগই আশপাশের নির্মাণ সাইডে কর্মরত ছিলেন।

এ দিকে শনিবার মালয়েশিয়া সময় সকাল ১১টায় দেশটির সেলাঙ্গরের পাইকারি বজার থেকে ৮৮ বিদেশি কর্মী গ্রে’প্তা’র করেছে পুলিশ। সারডাং জেলা পুলিশ সদর দফতর (আইপিডি)”র ৯২ জন সদস্য ও ১০ জন কর্মকর্তার নেতৃত্বে শনিবার মালয়েশিয়া সময় সকাল ১১ টায় বিশেষ অভি’যানে অভিবাসী কর্মীদের গ্রে’প্তা’র করা হয়।

গ্রে’প্তা’র’কৃ’তদের ৭৮ মিয়ানমার, ৮ বাংলাদেশ, নেপালি ও ইন্দোনেশিয়াসহ ৮৮ জন এবং তাদেও ২০ থেকে ৫০ বছরের বলে জানানো হয়।

কি কারণে তাদের গ্রে’প্তা’র করা হয়েছে, সে বিষয়ে সেরডাং জেলা উপ-পুলিশ প্রধান, সুপারিন্টেন্ডেন্ট মোহাম্মদ রোসদী দাউদ সাংবাদিকদের জানান, গোয়েন্দা তথ্যে দেখা গেছে, বেশিরভাগ বিদেশিরা অ’বৈ’ধ ভাবে পাইকারি বাজারে ব্যবসা করছে, কোনো বৈ’ধ লাইসেন্স নেই। নেই তাদের কাছে বৈ’ধ কোনো কাগজ পত্রও।

জেলা উপ-পুলিশ প্রধান বলেন, পাইকারি বাজারের স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভি’যোগের ভিত্তিতে অ’বৈ’ধভাবে বিদেশিদের ব্যবসা পরিচালনা করার পাশাপাশি আনডকুমেন্টেড বিদেশি কর্মীরা বাজারে বি’শৃ’ঙ্খল সৃষ্টি এবং অ’প’রা’ধ’মূলক ক’র্ম’কা’ণ্ডে জ’ড়িত থাকায় তাদের গ্রে’প্তা’র করা হয়।

গ্রে’প্তা’র’কৃ’তদের আইপিডি সারডাংএ নেওয়া হয়েছে এবং সেকসন ৬ (১) সি অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ অনুসারে তদন্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইপিডি বিভাগ।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন