নানা গুণের ইসবগুল

প্রকাশিত: মার্চ ৩, ২০২১ / ১১:৩২পূর্বাহ্ণ
নানা গুণের ইসবগুল

ইসবগুলের ভুসি চেনে না এমন লোক খুবই কম। অন্তত উপমহাদেশের সবাই চেনে। এর নানাবিধ উপকারিতা সম্পর্কেও ওয়াকিবহাল মানুষ। এর রয়েছে নানা ধরনের ভেষজ গুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা।

ইসবগুলের ভুসির প্রধান ব্যবহার কোষ্ঠকাঠিন্যে। শরী’রের নানা সমস্যায়, খাদ্যাভ্যাসের দরুন, ওষুধ খাওয়া, দীর্ঘ যাত্রায় বসে থাকা, এমনকি গর্ভবতী অবস্থায়ও কারও কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে। অন্য ওষুধের সঙ্গে ইসবগুলও খাওয়া যেতে পারে।

ইসবগুল একধরনের ডায়েটারি ফাইবার, যার কিছু পানিতে দ্রবীভূত হয়, কিছু হয় না। অন্ত্রের ভেতরে থাকাকালীন ইসবগুলের ভুসি প্রচুর পরিমাণ পানি শোষণ করে। কোনো কিছুর সঙ্গে বিক্রিয়া করে বিষ তৈরি করে না এবং অন্ত্রের দেয়াল পিচ্ছিল করে দেয়।

যেহেতু এটা কার্যকারিতার জন্য অন্ত্র থেকে পানি শোষণ করে, তাই দুই চা-চামচ ভুসি, পানি বা দুধে গুলিয়ে সঙ্গে সঙ্গেই খেয়ে ফেলা ভালো। দীর্ঘক্ষণ ভিজিয়ে রাখলে এটা বাইরে থেকেই পানি শোষণ করে নেবে, অতএব কার্যকারিতাও কমে যাবে।

কোষ্ঠকাঠিন্যের বিপরীতে ইসবগুল কিন্তু ডায়রিয়া প্রতিষেধক হিসেবেও কাজ করে, বিশেষত দইয়ের সঙ্গে খেলে। এছাড়া আয়ুর্বেদে অ্যাসিডিটি, অর্শ, মূত্র প্রদাহ, মূত্রস্বল্পতা এবং দীর্ঘ মেয়াদে শ্বাসজাতীয় রোগেও ব্যবহার করে থাকে।

জার্মান হেলথ অথরিটি রক্তে কোলেস্টেরল কমানোর জন্য একে ১৯৯০ সালে ব্যবহারের জন্য অনুমোদন করেছে। ইদানীং কোলন ক্যানসার ও হার্টের অসুখেও এর ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। খাদ্যের প্রতি ‘ক্রেভিং’ বন্ধ করে বলে অনেকে একে স্লিম হওয়ার জন্য ব্যবহার করে থাকেন।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন