তিন কিশোর ব’ন্দি হ’ত্যা মা’ম’লায় ৪ কর্মকর্তাসহ অভি’যুক্ত ১২

প্রকাশিত: ফেব্রু ২৬, ২০২১ / ১১:৪৬অপরাহ্ণ
তিন কিশোর ব’ন্দি হ’ত্যা মা’ম’লায় ৪ কর্মকর্তাসহ অভি’যুক্ত ১২

যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের তিন ব’ন্দি কি’শোর হ’ত্যা মা’মলায় কেন্দ্রের চার কর্মকর্তাসহ ১২ জনের সম্পৃক্ততা পেয়েছে তদন্ত কর্মকর্তা। এদের মধ্যে আট জনের বি’রু’দ্ধে চার্জশিট ও অপ্রাপ্ত বয়স্ক চারজনের নামে দো’ষীপত্র দাখিল করা হয়েছে। এছাড়া একজনকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

৯ ফেব্রুয়ারি এ চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হয়। শুক্রবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চাঁচড়া ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর রকিবুজ্জামান।

অভি’যুক্ত চার কর্মকর্তা হলেন-সাময়িক ব’র’খা’স্ত’কৃত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক (সহকারী পরিচালক) আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, সহকারী তত্ত্বাবধায়ক (প্রবেশন অফিসার) মাসুম বিল্লাহ, ফিজিক্যাল ইনসট্রাক্টর একেএম শাহানুর আলম ও সাইকো সোশ্যাল কাউন্সিলর মুশফিকুর রহমান।

অভিযুক্ত কেন্দ্রের চার ব’ন্দি কিশোর হলো গাইবান্ধার খালিদুর রহমান তুহিন, নাটোরের হুমাইন হোসেন, মোহাম্মদ আলী ও পাবনার ইমরান হোসেন।

অ’প্রা’প্ত’ব’য়স্ক দো’ষী’রা হলেন- চুয়াডাঙ্গার আনিস, কুড়িগ্রামের রিফাত হোসেন, রাজশাহীর পলাশ ওরফে শিমুল ও পাবনার মনোয়ার হোসেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর রকিবুজ্জামান জানান, এ মা’ম’লায় ১৩ জন আ’সা’মি ছিলেন। তদন্ত শেষে এ ঘটনায় মোট ১২ জনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়। এর মধ্যে চার কর্মকর্তা ও চার ব’ন্দি প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তাদের বি’রু’দ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। এছাড়া অপর চার ব’ন্দি অ’প্রা’প্ত’বয়স্ক হওয়ায় তাদের বি’রু’দ্ধে দো’ষীপত্র দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তদন্তে ব’ন্দি কিশোর হ’ত্যা’কা’ণ্ডে’র সঙ্গে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের সাময়িক বরখাস্ত কারিগরি প্রশিক্ষক (ওয়েল্ডিং) ওমর ফারুকের জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ মেলেনি। এ কারণে চার্জশিটে তার অব্যাহতির আবেদন জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, কেন্দ্রের প্রধান প্রহরী নূর ইসলামকে মা’র’পি’টে’র জে’রে ২০২০ সালের ১৩ আগস্ট যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের ১৮ ব’ন্দি কিশোরকে কর্মকর্তাদের নির্দেশে নি’র্যা’ত’ন চা’লা’নো হয়। এ ঘটনায় ব’ন্দি বগুড়ার শিবগঞ্জের তালিবপুর পূর্বপাড়ার নান্নু পরামানিকের ছেলে নাঈম হোসেন, খুলনার দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশা সেনপাড়ার রোকা মিয়ার ছেলে পারভেজ হাসান রাব্বি ও বগুড়ার শেরপুরের মহিপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে রাসেল হোসেন মা’রা যায়। এছাড়া গু’রু’তর আ’হত হয় আরও ১৫ জন। ওই ঘটনায় নি’হ’ত পারভেজ হাসান রাব্বির বাবা রোকা মিয়া কোতোয়ালি থানায় ১৩ জনের নামে মা’ম’লা করেছিলেন।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন