দাম কমতে যাচ্ছে যেসকল বাইকের

দেশের সংসদীয় ইতিহাসে এই প্রথম বাজেট বক্তৃতা উত্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের পৌনে এক ঘণ্টা পর বাজেট বক্তৃতার বাকি অংশ উত্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা। ২০১৯-২০ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট পাশ হলে দেশে উৎপাদিত মোটরসাইকেলের দাম কমবে। বাড়বে আমদানিকৃত বিদেশি মোটরসাইকেলের দাম।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় বলেন, স্থানীয় মোটরসাইকেল উৎপাদনকে উৎসাহিত করার জন্য ২০১৭-১৮ অর্থ বছর হতে শর্তসাপেক্ষে রেয়াতি সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। এ খাতে প্রদত্ত প্রণোদনা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি মোটরসাইকেল ও এর পার্টস উৎপাদনে তিনটি উপকরণের শুল্ক সুবিধা যৌক্তিকীকরণের প্রস্তাব করছি।

বাজেটে দেশীয় মোটরসাইকেল শিল্প বিকাশে প্রস্তাব করা হলেও বাড়ছে দেশীয় টায়ার-টিউব শিল্পের বোঝা। অর্থমন্ত্রীর বাজেটে বলা হয়েছে, দেশীয় টায়ার টিউব উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিরক্ষণে ১৬ ইঞ্চি রিম সাইজ এলসিভি টায়ার, মোটরসাইকেল টায়ার এবং সিএনজি বেবি ট্যাক্সি, হালকা যানবাহনে ব্যবহৃত রাবার টিউব এর উপর বিদ্যমান রেগুলেটরি ডিউটি ৩ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ৫% পর্যন্ত করার প্রস্তাব করা হলো। ফলে দেশি টায়ার-টিউবের দাম বাড়ছে।

অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়েছে, যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, লরি, অ্যাম্বুলেন্স ও স্কুলবাস ছাড়া সব ধরনের পরিবহন রেজিস্ট্রেশন, রুট পারমিট নবায়ন, ফিটনেস সনদ, মালিকানা সনদ নিতে এবং নবায়ন করতে বিআরটিএ নির্ধারিত সেবামূল্যের ওপর ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হবে। ফলে এসব কারণে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ফি বাড়বে।

বাজেটে হেলিকপ্টারের সেবামূল্যের ওপর ভ্যাটের পাশাপাশি সম্পূরক শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে হেলিকপ্টারে যাতায়াতের ক্ষেত্রে খরচ বাড়তে পারে।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল একাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করছেন। এটি দেশের ৪৮তম, আওয়ামী লীগ সরকারের ২০তম এবং অর্থমন্ত্রী হিসেবে মুস্তফা কামালের প্রথম বাজেট।

এবারের বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটের চেয়ে আগামী বাজেট ১২ দশমিক ৬১ শতাংশ বড়। আগামী ৩০ জুন এই বাজেট পাস হবে।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত