দুঃসংবাদ, টাইগারদের পরবর্তী ম্যাচের উইকেটে পরিবর্তন

বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই তুমুল আলোচনা, এবার ইংল্যান্ডের উইকেটগুলোতে রানের বন্যা বয়ে যাবে। প্রায় প্রতিটি ম্যাচই হবে ৩০০ প্লাস স্কোরের। সেই ধারণা কিংবা আলোচনা যাই হোক না কেন- তাকে সত্য প্রমাণ করে উদ্বোধনী ম্যাচেই ৩০০ প্লাস রান করে ফেললো ইংল্যান্ড। যদিও জবাবে ২০৭ রানেই অলআউট হয়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।

পরের ম্যাচগুলোতে দেখা গেলো ভিন্ন চিত্র। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা কিংবা আফগানিস্তানের ম্যাচগুলোতে রানই উঠছে না। তবে ২ জুন লন্ডনের ওভালে খেলা ফিরে আসার পর আবারও রান বন্যা। এবার দুই দলই পার করেছে ৩০০’র গণ্ডি। সেই দুই দলের একটি বাংলাদেশ। অন্যটি দক্ষিণ আফ্রিকা। বাংলাদেশ ৩৩০ রান করার পর দক্ষিণ আফ্রিকা করেছে ৩০৯ রান। অর্থ্যাৎ, দুই ইনিংস মিলে রান হয়েছে ৬০০ প্লাস। ২১ রানে জিতেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেই একই মাঠ লন্ডনের দ্য ওভালে। সবারই ধারণা, সেই ম্যাচটিও হতে পারে রান বন্যার ম্যাচ। কারণ, ওভালে আগের দুই ম্যাচই সেটা প্রমাণ করেছে। কিন্তু এখন যা জানা যাচ্ছে, তাতে শঙ্কার কালো মেঘই জমা হচ্ছে বাংলাদেশের আকাশে। কারণ, ৫ জুন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওভালে যে উইকেটে বাংলাদেশ খেলবে, সেই উইকেটে নাকি ঘাস থাকবে। এর অর্থ হচ্ছে, কিউই পেসারদের জন্য পোয়াবারো। ঘাসযুক্ত উইকেট পেলে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের সামনে তারা আগুন ঝরাবে নিশ্চিত।

ওভালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচে যে ঘাসযুক্ত উইকেট থাকবে, সেটা জানিয়েছেন খোদ বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি বলেন, ‘ওভালে যে পিচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা হবে, সে পিচে ঘাস আছে।’ সেখানে ট্রেন্ট বোল্ট, ম্যাট হেনরি, লকি ফার্গুসনসহ নিউজিল্যান্ড বোলাররা বড় চিন্তার কারণ হতে পারে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের জন্য।

তবে ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন বলেছেন, ‘আমরা উইকেট নিয়ে আইসিসির সঙ্গে কথা বলবো। যে, একই বিশ্বকাপে দুই ধরনের উইকেট কেন? আগের ম্যাচে ঘাস ছিল না। এই ম্যাচের উইকেটে কেন ঘাস থাকবে?’

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত