টেকনাফে ইয়াবাসহ আটক যুবক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

টেকনাফে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ আটক মো. সিরাজ ওরফে সিরু (২৭) নামে এক যুবক পুলিশ-বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন।

পুলিশ-বিজিবির দাবি, নিহত মো. সিরাজ মাদক পাচারকারী। তিনি সাবরাং ইউনিয়নের আছারবনিয়া গ্রামের ফজল আহমদের ছেলে। বন্দুকযুদ্ধে পুলিশ-বিজিবির চার সদস্য আহত হয়েছেন।

বুধবার রাতে সাবরাং ইউনিয়নের আছারবনিয়া এলাকায় ‘বন্দুকযুদ্ধের’ এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি এলজি উদ্ধার করা হয়েছে।

বিজিবি টেকনাফ-২ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল ফয়সল হাসান খান জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাবরাং আছারবনিয়া এলাকা হতে সিরাজকে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মিয়ানামার হতে ইয়াবার চালান আটকে বুধবার রাতে অভিযানে যায় পুলিশ ও বিজিবির যৌথ দল। এসময় ইয়াবা পাচারকারীরা যৌথ বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি করে। যৌথ বাহিনীও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলিবর্ষণ করে।

কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থলে সিরাজের গুলিবিদ্ধ দেহ ও দুইটি অস্ত্র পাওয়া যায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসার পর কক্সবাজার স্থানান্তর করে। পরে পথেই সিরাজের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় পুলিশ ও বিজিবির ৪ সদস্য আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন- পুলিশের কনস্টেবল আল ফারুক, হেলাল, বিজিবির সিপাহী জহিরুল ইসলাম ও রানা মিয়া।

এর আগে সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুর হোসেন ও শরীফ মেম্বারের নেতৃত্বে সাবরাং মাদক প্রতিরোধ কমিটি মঙ্গলবার রাতে বন্দুকযুদ্ধে নিহত পাচারকারীসহ দুজনকে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ হাতে নাতে আটক করে। এরপর তারা আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছিল তাদের।

সাবরাং ইউপি চেয়ারম্যান নুর হোসেন জানান, আইনশৃংখলা বাহিনীর এতো অভিযানের পরও কোনো কোনো এলাকা দিয়ে অতি গোপনে ইয়াবা পাচার করে আসছিল সংঘবদ্ধ মাদক ব্যবসায়ীরা।

এতে মাদক প্রতিরোধ অনেকটা প্রশ্নের সম্মুখিন হয়ে পড়েছিল।

ফলে মঙ্গলবার রাতে মিয়ানমার হতে ইয়াবার চালান খালাস হওয়ার সংবাদে ইউনিয়ন মাদক প্রতিরোধ কমিটির সদস্য শরীফ মেম্বারসহ লোকজন তাদের হাতেনাতে আটক করে আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে তুলে দেয়।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত