হানিফের বক্তব্যের সমালোচনা ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতদের

ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর মধুর ক্যান্টিনে পদবঞ্চিতপক্ষের নারী নেত্রীসহ কয়েকজনের ওপর সংগঠনটির বর্তমান সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের সমর্থকদের হামলার ঘটনা নিয়ে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন বিক্ষুব্ধরা। ওই দিনের ঘটনাকে মাহবুব উল আলম হানিফ একটি ‘ছোট সাধারণ ঘটনা’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন।

সোমবার মধুর ক্যান্টিনে নারী নেত্রীদের ওপর হামলা ও শারীরিক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে আয়োজিত মানববন্ধনে পদবঞ্চিত ও কাঙ্ক্ষিত পদ না পাওয়া ছাত্রলীগের বিক্ষুব্ধ অংশের নেতা-কর্মীরা এই সমালোচনা করেন।

হানিফের বক্তব্যের সমালোচনা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন নাহার হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও ডাকসুর সদস্য (ছাত্রলীগের নতুন কমিটির সংস্কৃতিবিষয়ক উপসম্পাদক) নিপু ইসলাম তন্বী বলেন, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই প্রশ্ন রাখতে চাই, মধুর ক্যান্টিনের ঘটনাটি কোন পর্যায়ে গেলে তাদের মনে হতো এটি একটি বিশাল আকারের ঘটনা?

তিনি আরও প্রশ্ন রাখেন, আমাদের আর কতটুকু লাঞ্ছিত করলে তাদের মনে হতো ছাত্রলীগের নারীদের ওপর নির্যাতন হয়েছে? প্রশ্ন ওঠে, আমরা মারা যাওয়ার পরে কি তাহলে ঘটনাটির সত্যতা প্রকাশ পেত?

ওই ঘটনার পর কোনো বাবা, মা কিংবা ভাই-বোন তাদের ঘরের সন্তানকে ছাত্রলীগ করতে পাঠাবেন না বলে উল্লেখ করে নিপু ইসলাম বলেন, মধুর ক্যান্টিনের মতো জায়গায় যখন ছাত্রলীগের কিছু ছোট ও বড় ভাইয়ের হাতে আমরা নির্যাতিত হই, সত্যিকার অর্থেই এরপরে কোনো বাবা, মা, ভাই কিংবা বোন ছাত্রলীগ করার জন্য তাদের ঘরের সন্তানকে পাঠাবেন না। নারী নেতৃত্বের ওপর আর কত আঘাত এলে টনক নড়বে? কবে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছ থেকে আমরা বিবৃতি পাব যে ছাত্রলীগের নারী নেতৃত্বের ওপর হামলা হয়েছে?

মানববন্ধনে রোকেয়া হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং ডাকসুর কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক লিপি আক্তার (ছাত্রলীগের নতুন কমিটির সংস্কৃতিবিষয়ক উপসম্পাদক), ছাত্রলীগের আগের কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাইফ বাবু, দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার শাহজাদা, কর্মসূচি ও পরিকল্পনাবিষয়ক সম্পাদক রাকিব হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত