কফি পানে মাথাব্যথা নাও সারতে পারে

মাথাব্যথায় কফি সহায়ক না হয়ে বরং ডেকে আনতে পারে অন্য বিপদ।

যারা ওষুধ থেকে দূরে থাকতে চান তারা মাথাব্যথা নিয়ন্ত্রণে কফি পান করেন। সেটা আসলে কতটুকু কাজে আসে?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর পেছনে আরও বড় সমস্যা লুকিয়ে থাকতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, কফি ‘মাইগ্রেইন’য়ের ব্যথা সারাতেও পারে আবার বাড়াতে পারে তীব্রতা। সবই নির্ভর করে ব্যথার তীব্রতা আর কফির প্রতি সংবেদনশীলতার উপর।

এবিষয়য়ে বিস্তারিত জানানো হলো স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে।

পেশির উপর চাপ: মস্তিষ্কের কোনো রক্তনালী ফুলে গেলে মাথাব্যথা শুরু হয়। এসময় কফি পান করলে তাতে থাকা ‘ক্যাফেইন’ ওই রক্তনালীকে সংকুচিত করে ও ফোলা কমায় এবং সেই সঙ্গে ওই অংশের পেশিকে শিথিল করে। তবে কফি পানের মাত্রা যদি প্রয়োজনের অতিরিক্ত হয়ে গেলে ওই অংশের পেশির উপর অনেক বেশি চাপ পড়ে, যে কারণে ব্যথা উল্টো বেড়ে যেতে পারে।

কফির প্রভাব: আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে কফি একেকজনকে একেকভাবে প্রভাবিত করে। কফি পান করে সবার ঘুম কাটে না, কারও মাঝে তৈরি হয় অস্বস্তি, তেমনি অন্য সবার মতো আপনার মাথাব্যথাও যে কফিতে সারবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাই শুধু কফির উপর ভরসা করলে চলবে না।

কফির পানের অভ্যাস: দিনে কত কাপ কফি পান করা হচ্ছে সেটার উপরেও মাথাব্যথায় কফি কতটা উপকারী তা নির্ভর করে।

দৈনিক এক থেকে দুই কাপ কফি পান করা স্বাভাবিক, তবে এর বেশি পান করার অভ্যাস থাকলে মাথাব্যথায় উপকারে নাও আসতে পারে। বরং অস্বস্তি ও পানিশূন্যতা বাড়িয়ে মাথাব্যথাকে আর তীব্র করতে পারে।

কফিভিত্তিক পানীয়: ‘মাইগ্রেইন’য়ের ব্যথা শুরু হলে আর হাতে কাছে ওষুধ না থাকলে কখনই কফিভিত্তিক পানীয় পান করা যাবে না। কারণ সেগুলো কফির থেকেও বাজে পরিণতি ডেকে আনতে পারে। এই ধরনের পানীয়র অধিকাংশেই থাকে স্নায়ু উদ্দীপক যার কারণে মাথা ঘুরানো কিংবা শরীরে খিঁচুনী হতে পারে। এছাড়া চিনি ও বাড়তি ক্যালরির ঝুঁকি তো আছেই।

প্রাকৃতিক পন্থা

মাথাব্যথা সারাতে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করাই প্রথম পদক্ষেপ হওয়া উচিত। গোলমরিচ, পুদিনা, মধু ইত্যাদি প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া ‍উপাদান মাথাব্যথার আদর্শ সমাধান।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত