শ্রাবন্তীর বিয়ে নিয়ে মিমি বললেন, ‘নোংরামি এবার বন্ধ হোক’

পেশাগত কিংবা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সবসময় আলোচনায় থাকেন তারকারা। তবে এটা একটু বেশিই হয়ে থাকে সেলেব্রেটিদের ক্ষেত্রে। সম্প্রতি ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জির তৃতীয় বিয়ের খবর প্রকাশিত হতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোল হতে থাকেন অভিনেত্রী। ফেসবুকে তাকে নিয়ে শুরু হয় নানা সমালোচনা।

এই বিষয়টি নিয়ে অভিনেত্রী মুখ না খুললেও টলিউড কিন্তু শ্রাবন্তীর পাশেই রয়েছে। কারো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে তাকে কাঠগড়ায় তোলা প্রসঙ্গে আপত্তি টলিউডের অধিকাংশের। তাইতো মিমি চক্রবর্তী, সুদীপ্তা চক্রবর্তী, তনুশ্রী চক্রবর্তীর মতো তারকারা শ্রাবন্তীর পাশেই রয়েছেন। ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্রাবন্তীর তৃতীয়বার বিয়ে করা নিয়েই মেতে উঠেছে ট্রোলাররা। কিন্তু কারো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে অহেতুক এই নিন্দেমন্দ কেন?

ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই শ্রাবন্তীর পক্ষে সওয়াল তুলেছেন। অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তী নিজের ফেসবুকে নায়িকার ট্রোল হওয়া নিয়ে আপত্তি প্রকাশ করেছেন। শ্রাবন্তী তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কাউকে কৈফিয়ত দিতে বাধ্য নন, এমনটাই নিজের পোস্টে লিখেছেন সুদীপ্তা। তার কথায়, ‘প্রথম দুদিন সব দেখেও চুপ ছিলাম। তার পর আর পারলাম না। এ কী অসভ্যতামি!’

শ্রাবন্তীর বন্ধু এবং সহকর্মী তনুশ্রী চক্রবর্তীও সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা সমালোচনা দেখে অবাক! ‘শ্রাবন্তীর জন্য আমার অনেক শুভেচ্ছা। ও যেটা ভালো মনে করেছে, সেটা করেছে। অনেক মানুষই একাধিক বার বিয়ে করেছেন। কিন্তু শুধু নায়িকা বলেই হয়তো শ্রাবন্তীকে জাজ করা হচ্ছে, ট্রোল করা হচ্ছে। কারো ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে টানাটানি কেন হবে?’, প্রশ্ন তনুশ্রীর।

এর আগে মিমি চক্রবর্তী নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর থেকে অনেকবার ট্রোল হয়েছেন। শ্রাবন্তীর বন্ধু হিসেবে মিমির বক্তব্য, ‘অভিনেত্রী বলেই হয়তো এগুলো সহ্য করতে হচ্ছে ওকে। কারো ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এই নোংরামো এবার বন্ধ হোক। পর্দার আড়ালে থেকে যা খুশি বলা খুব সোজা।’

এদিকে শ্রাবন্তীর সমর্থনে সোশ্যাল মিডিয়ায় আওয়াজ তুলেছেন রাজর্ষি দে, সৃজিত মুখোপাধ্যায়ও। রাজর্ষির একটি ছবিতে শ্রাবন্তী ছিলেন। নায়িকার সঙ্গে ছবিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা ব্যাখ্যা করে রাজর্ষি লিখেছেন, ‘ও যেমন একজন ভালো মা, তেমনই ভালো সন্তান, ভালো অভিনেত্রী… ও ডিজার্ভ করে একজন ভালো জীবনসঙ্গী। সেটা একবার না হয়ে দুবার, তিনবার, চার-পাঁচ বারেও হতে পারে। তাতে আমার কোনো আপত্তি নেই… ওর ভালো থাকাটাই আসল।’

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত