আইপিএলে কাঁদলেন কুলদীপ, কাঁদালেন সবাইকে

কলকাতা নাইট রাইডার্স বনাম রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর ম্যাচে বিরাটদের ব্যাটিংয়ের তখন ১৬ ওভার। ব্যক্তিগত শেষ ওভারের জন্য বল হাতে ‘চায়নাম্যান’ কুলদীপ যাদবকে ডেকে পাঠালেন নাইট কাপ্তান দীনেশ কার্তিক। এরপর যেন চোখে সরষে ফুল দেখলেন কোহলিদের সাথে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ঢাক পাওয়া কুলদীপ।

কোহলির ব্যাঙ্গালুরু যখন ধুঁকছে ঠিক তখন ব্যাট হাতে নামেন ইংলিশ অলরাউন্ডার মঈন আলী।চায়নাম্যান কুলদীপ বল হাতে আসলেন স্ট্রিইকিং প্রান্তে মঈন আলী।আর তখনি কোহলির বিশ্বকাপ সারথীর চোখে জল।

কুলদীপকে দেখে যেন তেলে বেগুনে জ্বলে উঠলেন মঈন আলী।ওভারের অন্তিম বলে মঈন আলির উইকেট পেলেন বটে কিন্তু তার আগে ব্যক্তিগত চতুর্থ ওভারে ৩টি ছক্কা ও ২টি চার সহযোগে ২৭ রান হজম করে ফেলেছেন কুলদীপ।

স্বাভাবিকভাবেই ওভার শেষে আর নিজেকে সামলে রাখতে পারলেন না। অন্তিম ওভারে মঈন আলির নির্দয় ব্যাটিংয়ের পর মাঠেই কেঁদে ফেললেন বছর চব্বিশের এই স্পিনার। শুক্রবার ইডেন গার্ডেন্সে ৪ ওভারে ৫৯ রান খরচ করে স্পিনার হিসেবে আইপিএলে যুগ্মভাবে সবচেয়ে দামী স্পেলটি উপহার দেন কুলদীপ। এরপরই সাইডলাইনে এসে হাঁটু গেড়ে বসে কাঁদতে দেখা যায় আন্তর্জাতিক আঙিনায় দেশের প্রথম ‘চায়নাম্যান’ বোলারকে।

ঘটনার পর কুলদীপকে সান্ত্বনা দিতে ছুটে যান সতীর্থ নীতিশ রানা, প্রসিধ কৃষ্ণা, ক্রিস লিনরা।টেলিভিশনের পর্দাতেও এই ঘটনার সাক্ষী থাকেন অনুরাগীরা। ভারতীয় ক্রিকেটারের চোখে জল দেখে নিজেদের সামলে রাখতে পারেনি কুলদীপ ভক্তরা।

সে যাইহোক, আরসিবি ম্যাচে এদিনের দুঃস্বপ্নের স্পেল খুব শীঘ্রই ভুলতে চাইবেন কুলদীপ। বিশ্বকাপের আগে খানিকটা হলেও যা চিন্তায় রাখবে দলের থিঙ্কট্যাঙ্ককে।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত