খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত চাইল বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর আগেই যুক্তরাষ্ট্রে পলাতক খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত চেয়েছে বাংলাদেশ। এ ব্যাপারে ওয়াশিংটনের সহযোগিতা চেয়েছে ঢাকা। সোমবার ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেনের বৈঠক উঠে আসে রোহিঙ্গা ইস্যু, বাণিজ্য সুবিধাসহ এ অঞ্চলের আর্থসামাজিক অবস্থাও।

সোমবার (৮ এপ্রিল) সকাল নয়টায় রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন পররাষ্ট্রদফতরে বৈঠক করতে আসেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন। সকাল সোয়া নয়টায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও’র সাথে তাঁর বৈঠক শুরু হয়। দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম এ বৈঠকে দুদেশের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট নানা বিষয় ওঠে আসে। তবে পঞ্চাশ মিনিট স্থায়ী আলোচনার বড় অংশ জুড়ে ছিল রোহিঙ্গা ইস্যু। ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ‘মায়ানমার শিকার করেছিল তারা রোহিঙ্গাদের নিয়ে যাবে। কিন্তু এখনো তারা নিয়ে যায়নি। সে জন্যে আমরা সহায়তা চেয়েছি।’

বৈঠক ফলপ্রসু হয়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন জানান, যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে থাকা বঙ্গবন্ধুর খুনি মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত রাশেদ চৌধুরীকে দেশে ফিরেয়ে দেয়ার ব্যাপারে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশের অব্যাহত উন্নয়নের কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই অগ্রযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্রকে অংশীদার হিসেবে চায় বাংলাদেশ। ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ‘আমাদের বিরাট সমুদ্র এলাকা আছে সেইসবে যদি আপনারা ব্যবসা বাণিজ্য করেন তাহলে আপনাদের জন্যেও ভালো হবে। এগুলো আমি তাকে বলেছি।’

এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে। এজন্য সুশাসন, স্বচ্ছতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের অগ্রগতির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন মাইক পম্পেও।

এদিকে, বৈঠক শেষে বাংলাদেশ দূতাবাসে আসেন একে আবদুল মোমেন। সেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পরে দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত