পুঁজিবাজারে দরপতন চলছেই

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে সোমবারও দরপতন অব্যাহত রয়েছে দেশের পুঁজিবাজারে।

এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডই দর কমে লেনদেন হচ্ছে। এর প্রভাবে পতন ঘটেছে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের সবগুলো সূচকেরই।

সোমবার দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ডিএসইতে ৩৪১টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৫০টি দর বৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ২৫১টির। আর আগের দিনের দরে লেনদেন হয়েছে ৪০টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

বেশিরভাগ শেয়ারের দরপতনের প্রভাবে উল্লেখিত সময় পর্যন্ত ডিএসইর সবগুলো সূচকই ছিল নিম্নমুখী। এর মধ্যে ডিএসইএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ৪৭ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৩৮৫ পয়েন্টে, ডিএসইএস সূচক ১৫ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ২৪৩ পয়েন্টে ও ডিএস৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৩০ পয়েন্ট অবস্থান করছিল।

এ নিয়ে টানা ১১ সপ্তাহ ধরে ডিএসইর সূচকের পতন অব্যাহত রয়েছে। ২০০৮ সালের আগস্টের পর গত ১০ বছরে টানা ১০ সপ্তাহের বেশি দরপতন দেখা যায়নি। এমনকি ২০১০ সালের ডিসেম্বরের ভয়াবহ ধসে সূচক পতনের হার এখনকার চেয়ে বেশি থাকলেও টানা পতন এত দীর্ঘ হয়নি।

দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ডিএসইতে ২৯৮ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড কেনাবেচা হয়েছে।

এদিকে ডিএসইর মতো সিএসইতেও রোববার বেশিরভাগ শেয়ারের দরপতনের মধ্য দিয়ে দিনের লেনদেন চলছে।

সোমবার দুপুর দেড়টা পর্যন্ত সিএসইতে ২১৫টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৪২টি দর বৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ১৪৯টির। আর আগের দিনের দরে লেনদেন হয়েছে ২৪টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

ডিএসইর মতো সিএসইর সবগুলো সূচকও উল্লেখিত সময় পর্যন্ত ছিল নিম্নমুখী। এর মধ্যে সিএসই৫০ সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৩ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১৯১ পয়েন্ট, সিএসই৩০ সূচক ১৬০ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৪৭২ পয়েন্ট, সিএসসিএক্স সূচক ৮২ পয়েন্ট কমে ১০ হাজার ৮ পয়েন্ট, সিএএসপিআই সূচক ১৪১ পয়েন্ট কমে ১৬ হাজার ৫২৩ পয়েন্ট ও সিএসআই সূচক ১১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৩ পয়েন্টে অবস্থান করছিল।

উল্লেখিত সময় পর্যন্ত সিএসইতে ১১ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড কেনাবেচা হয়েছে।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত