চবিতে পুলিশ-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের একাংশের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

পুলিশের সঙ্গে ছাত্রলীগের একাংশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ও কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে।

ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের আবাসিক হলের সামনে কাঠের গুড়িতে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেলও ছোড়ে তারা।

এর আগে সকাল ৭টা থেকে অস্ত্র মামলায় গ্রেফতার ছাত্রলীগের ৬ কর্মীর নিঃশর্ত মুক্তিসহ ৪ দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে প্রধান ফটক বন্ধ করে রাখে ছাত্রলীগের কর্মীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শিক্ষক বাসের চাকা পানচার এবং বিশ্ববিদ্যালয়গামী শাটল ট্রেনের হুইস পাইপ কেটে দেয় অবরোধকারীরা। এ ছাড়াও সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট থেকে সোহরাওয়ার্দী হলের মোড় পর্যন্ত ব্যারিকেড দিয়ে রাখে তারা। পরে পুলিশ এসে ব্যারিকেড সরিয়ে দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভেতরে সব দোকানপাটও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

চবি ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইলিয়াসবলেন, অস্ত্র মামলায় আটক ছাত্রলীগ কর্মীদের মুক্তি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরীর পদত্যাগ সহ ৪ দফা দাবিতে আন্দোলন চলছে। দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রেলওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগের অবরোধে সকাল থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

চবি ছাত্রলীগের ৪ দফা দাবিগুলো হলো- বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরীকে পদত্যাগ করতে হবে; হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীরকে পদত্যাগ করতে হবে; গত ৩ এপ্রিল অস্ত্র মামলায় আটক চবি ছাত্রলীগের ৬ কর্মীকে মুক্তি দিতে হবে এবং ২০১৫ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে করা সব মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত