টাকের চিকিৎসায় কী করবেন

মাথায় টাকপড়া একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, কোনো রোগ নয়। টাক বা নির্দিষ্ট নকশাকারে চুল পড়ার ধরনটি অনেকটাই বংশগতির সঙ্গে সম্পর্কিত। গবেষণায় দেখা গেছে, বাবার টাক থাকলে সন্তানেরও টাক হওয়ার আশঙ্কা থাকে। দিনে গড়ে প্রায় ১০০টির মতো চুল পড়া স্বাভাবিক এবং এটা প্রাকৃতিক। তবে এর বেশি চুল পড়তে থাকাটা টাক প্রবণতার লক্ষণ।

টাক পরাকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে মেনে নিয়ে জীবন যাপন করা হলো সবচেয়ে স্মার্ট আর সহজ সমাধান। তবে যারা এটা মেনে নিতে পারবেন না তাদের জন্য রয়েছে নানা ধরনের ট্রিটমেন্ট।

১. মেডিকেশন: মেল প্যাটার্ন বল্ডনেস মোকাবেলার প্রাথমিক উপায় হচ্ছে মেডিকেশন। এক্ষেত্রে দুই ধরনের মেডিসিন কাজে আসতে পারে। তবে মেডিসিনের সুফল বুঝতে হলে অন্তত তিন থেকে ছয় মাস অপেক্ষা করতে হবে।

মেডিসিন ব্যবহারের আগে অবশ্যই ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে নেবেন। প্রতিটি মেডিসিনেরই সাইড-এফেক্ট রয়েছে এবং শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞ ডাক্তারই বলতে পারবেন তা সেবন বা ব্যবহার আপনার জন্য ঠিক হবে কিনা।

২. হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট: টাক মাথার জন্য একটি কার্যকর চিকিৎসা হচ্ছে হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট। এই প্রক্রিয়ায় সার্জারির মাধ্যমে শরীরের কোনো অংশ থেকে হেয়ার ফলিকল তুলে অন্য কোনো চুলবিহীন অংশে প্রতিস্থাপন করা হয়। এই পদ্ধতি বিশ্বব্যাপী বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে এবং দেশেও বর্তমানে হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট করা হচ্ছে। তবে এটি বেশ সময় এবং ব্যয়সাপেক্ষ ব্যাপার।

৩. আর্টিফিসিয়াল হেয়ার: এই পদ্ধতিতে মাথার তালুতে চুলের মতো দেখতে সিনথেটিক ফাইবার ইমপ্ল্যান্ট করা হয়। তবে এক্ষেত্রে সিনথেটিক ফাইবার পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

৪. পরচুলা: যারা সার্জারির ঝুঁকি নিতে চান না তাদের জন্য পরচুলা তো রয়েছেই।

হেয়ার লস বা চুলপড়া স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। এ নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা একেবারেই ঠিক নয়। আত্মপ্রত্যয়ী হোন, নিজেকে সুন্দর ভাবুন, জীবন উপভোগ করুন।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত