মালয়েশিয়া গিয়ে নিখোঁজ একই জেলার ১৯ জন বাংলাদেশী

অবৈধভাবে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া গিয়ে ৫ বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন ঝিনাইদহের ১৯ জন। স্বজনরা আজও জানেন না তারা বেঁচে আছেন কি না। এ অবস্থায় নিখোঁজদের পরিবারে নেমেছে ঘোর অন্ধকার। অভাব অনাটনে কোনো মতে ঘুরছে তাদের জীবনের চাকা।

কেটে গেছে দীর্ঘ ৫টি বছর। তবুও কান্না থামেনি আলেয়া বেগমের। নিখোঁজ ছেলের সন্ধানে আজও পথের দিকে চেয়ে থাকেন তিনি। প্রতিটি ক্ষণ কাটে ছেলের ঘরে ফেরার অপেক্ষায়।

স্বজন ও এলাকাবাসী জানায়, ৫ বছর আগে দালালের খ্প্পরে পড়ে সমুদ্র পথে মালয়েশিয়া গিয়ে নিখোঁজ হন ঝিনাইদহ সদরের গাড়ামারা গ্রামের মাসুদ। একমাত্র ভাই ও মা আলেয়া বেগম আজো পথ চেয়ে থাকে তার বাড়ি ফেরার অপেক্ষায়। শুধু মাসুদই নন। একই এলাকায় তার মতো ১৯ জন সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরাতে অবৈধ পথে মালয়েশিয়ায় রওয়ানা হয়ে নিখোঁজ রয়েছেন। টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা দালাল চক্রও।

আত্মীয়রা বলেন, ‘দালালরা বলেছে তারা বেঁচে আছে, আমাদের টাকা দাও আমরা তাদের খুঁজে এনে দেব। আমরা তাদেরকে টাকা পয়সাও দিছি। তাদের দ্বারা আমরা প্রতারিত হয়েছি।’

নিখোঁজদের বিষয়ে কিছুই জানে না জেলার কর্মসংস্থান ব্যুরো। জেলা কর্মসংস্থান ব্যুরো ও জনশক্তি অফিস জনশক্তি জরিপ কর্মকর্তা খান মো. শাহাদত হোসেন বলেন, ‘যারা বিদেশে গমন করেছেন তাদের ব্যাপারে জেলা কর্মসংস্থান ব্যুরোর কিছু করার নাই।’

নিখোঁজ ১৯ জনের মধ্যে ঝিনাইদহ সদরের গাড়ামারা গ্রামের ৮ জন, রামচন্দ্রপুরের ৩ জন, মিয়াকুণ্ডু গ্রামের ৪ জন, পিরোজপুর গ্রামের ৩ জন ও মহামায়া গ্রামের একজন রয়েছেন।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত