রোনালদোর চেয়ে ধনী মেসি

গ্রহের সেরা ফুটবলারের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি এখন লুকা মডরিচের। কিন্তু এ মুহূর্তে ফুটবলপ্রেমীদের কজন তা মেনে নেবে? গত এক দশকের ধারাবাহিকতায় মাঠের ফুটবলে শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চে এখনো তারা দেখে দুই যোদ্ধা লিওনেল মেসি ও ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে। মাঠের বাইরে বিত্তের লড়াইটাও যে এ দুজনের মধ্যে হবে, তাতে আর আশ্চর্য কী!

বিশ্বের ধনী ফুটবলারদের যে তালিকা কাল প্রকাশ করেছে ‘ফ্রান্স ফুটবল’ ম্যাগাজিন, সেখানে সবার ওপরে মেসি। ক্লাব থেকে পাওয়া বেতন, বোনাস আর বাণিজ্যিক রাজত্ব মিলিয়ে বছরে ১৩০ মিলিয়ন ইউরো আয় এই আর্জেন্টাইনের। বাংলাদেশি মুদ্রায় অঙ্কে যা এক হাজার ২২৬ কোটি টাকা। বার্সেলোনার এই প্লেমেকারের চেয়ে জুভেন্টাসের ফরোয়ার্ডের আয় ১৭ মিলিয়ন ইউরো কম। ফ্রান্স ফুটবলের হিসাবে সব মিলিয়ে রোনালদোর বার্ষিক আয় ১১৩ মিলিয়ন ইউরো; বাংলাদেশি মুদ্রায় এক হাজার ৬৫ কোটি টাকার মতো।

মেসি-রোনালদোর পর তৃতীয় সর্বোচ্চ আয় পিএসজিতে খেলা ব্রাজিলিয়ান নেইমারের ৯১.৫ মিলিয়ন ইউরো। এরপর ফ্রান্সের আন্তোয়ান গ্রিয়েজমান (৪৪ মিলিয়ন), ওয়েলসের গ্যারেথ বেলের (৪০.২ মিলিয়ন) নামেও চমক নেই কোনো। কিন্তু ৬ নম্বর নামটি চমকে দিতে পারে—আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা। স্পেন জাতীয় দলকে বিদায় বলেছেন, চলে গেছেন আশৈশবের ক্লাব বার্সেলোনা ছেড়ে। তবু বছরে ৩৩ মিলিয়ন ইউরো আয় জাপান লিগে ভিসেল কোবেতে খেলা এই প্লেমেকারের। শীর্ষ দশে এরপর যথাক্রমে আলেক্সিস সানচেস (৩০.৭ মিলিয়ন), ফিলিপে কৌতিনহো (৩০ মিলিয়ন), এসেকিয়েল লাভেসসি (২৮.৩ মিলিয়ন) ও লুইস সুয়ারেস (২৮ মিলিয়ন)।

বার্ষিক আয়ে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা ফুটবলারদের পাশাপাশি কোচদের তালিকাও প্রকাশ করেছে ফ্রান্স ফুটবল। তাতে বার্ষিক ৪১.২ মিলিয়ন ইউরোতে সবার ওপরে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের কোচ ডিয়েগো সিমিওনে। তালিকায় পরের দুটি স্থানে থাকা কোচরা এখন বেকার। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে বরখাস্ত হওয়া হোসে মরিনহো (৩১ মিলিয়ন) এবং মোনাকো থেকে বিতাড়িত থিয়েরি অঁরি (২৫.৫ মিলিয়ন)। ম্যানচেস্টার সিটির পেপ গার্দিওলা (২৪.১ মিলিয়ন) ও এর্নেস্তো ভালভের্দে (২৩ মিলিয়ন) পূর্ণ করেন শীর্ষ পাঁচ। ফ্রান্স ফুটবল

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত