হৃদরোগ সম্পর্কে যেসব ভুল ধারণা মৃত্যু ঝুঁকি বাড়াতে পারে

জীবনযাপন পদ্ধতি এবং দীর্ঘদিনের অনিয়মের কারণে গোটা বিশ্বে হৃদরোগে আক্রান্তের ঝুঁকি বেড়ে চলেছে। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা, বয়স, কোলেস্টেরলের সমস্যা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত মেদ, মদ্যপান, মানসিক চাপ— মূলত এসব কারণে হৃদরোগের সমস্যা বাড়ছে ।

হৃদরোগ সম্পর্কে যথাযথ সচেতনতার অভাব এবং অকারণ ভীতির কারণে এটা নিয়ে অনেকের মধ্যেই ভুল কিছু ধারণা আছে। তাই হৃদরোগ সম্পর্কে সচেতন হওয়ার জন্য এ সংক্রান্ত প্রচলিত ভুল ধারণাগুলি দূর করা জরুরি। যেমন-

১. বুকে ব্যথা হলেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছে এমন ধারণা ঠিক নয়। বুকে ব্যথা ছাড়াও হৃদরোগ হতে পারে। বুকে ব্যথা ছাড়াও শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব— এগুলিও হৃদরোগের লক্ষণ হতে পারে।

২. অনেকেই মনে করেন, পুরুষদের হৃদরোগের ঝুঁকি নারীদের তুলনায় বেশি। এ ধারণা সঠিক নয়। পুরুষদের মধ্যে অল্প বয়সে তুলনামুলকভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে। তবে মানসিক চাপ, অবসাদ কিংবা স্থুলতার মতো এমন অনেক বিষয় আছে যা নারীদের মধ্যেও হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটা বাড়িয়ে দেয়।

৩. অনেকে মনে করেন, কারও পরিবারে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার ইতিহাস থাকলে পরিবারের অন্যান্যদেরও হৃদরোগের প্রবণতা বাড়বে। কিন্তু এ ধারণাও ঠিক নয়। বরং অনিয়ন্ত্রিতত জীবনযাপন, ধূমপান, মদ্যপানের অভ্যাস, পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাব ইত্যাদি কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

৪. অনেকের ধারণা ওষুধ খেয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়। কিন্তু এই ধারণার তেমন কোনও ভিত্তি নেই। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা, স্থুলতা, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপের কারণেও হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

৫. কেউ কেউ মনে করেন, খাদ্যতালিকা থেকে ফ্যাট বাদ দিলেই হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যাবে। কিন্তু এ ধারণাও ভুল। কারণ ট্রান্স ফ্যাটের মধ্যে থাকা হাইড্রোজেন অয়েল হৃৎপিণ্ডের জন্য ক্ষতিকর। সূত্র : জি নিউজ

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত