চু’রি’র অপ’বাদে মুক্তিযো’দ্ধা’কে বেঁ’ধে চেয়ারম্যানের নি’র্যা’তন

প্রকাশিত: ফেব্রু ৬, ২০২১ / ১১:৪৯অপরাহ্ণ
চু’রি’র অপ’বাদে মুক্তিযো’দ্ধা’কে বেঁ’ধে চেয়ারম্যানের নি’র্যা’তন

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় ছেলের বি’রু’দ্ধে গরু চু’রি’র অ’ভি’যো’গ তুলে আকবর আলী ধনী নামে এক বীর মু’ক্তি’যো’দ্ধা’কে বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়ে নি’র্যা’ত’নের অ’ভি’যো’গ পাওয়া গেছে ইউপি চেয়ারম্যান মহির উদ্দিনের বি’রু’দ্ধে। এ ঘটনায় থানায় মা’ম’লা’র প্রস্তুতি চলছে।

এর আগেও চেয়ারম্যানের ওই বাড়িতে এক যুবককে তু’লে নিয়ে গিয়ে নি’র্যা’ত’নের পর ই’য়া’বা দিয়ে ফাঁ’সা’নো’র চে’ষ্টা করা হয়। আজ শনিবার সকালে উপজেলার ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের জাওরানী এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটেছে। নি’র্যা’ত’নের শি’কা’র বীর মু’ক্তি’যো’দ্ধা আকবর আলী ধনী উত্তর জাওরানী গ্রামের বাসিন্দা। এছাড়া সে ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন মু’ক্তি’যো’দ্ধা কমান্ডার।

আর অভিযুক্ত মহির উদ্দিন ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

জানা গেছে, ছেলের বি’রু’দ্ধে গরু চু’রি’র অভি’যো’গ তুলে বীর মুক্তি’যো’দ্ধা আকবর আলী ধনীকে নিজ বাড়ি থেকে চৌকিদার ও চেয়ারম্যান তার বাসায় তু’লে নিয়ে যায়। এরপর চেয়ারম্যান ও চৌকিদার ওই মুক্তি’যো’দ্ধাকে চেয়ারের সঙ্গে দ’ড়ি দিয়ে বেঁ’ধে রাখেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা স’মা’লো’চ’না হলে মুক্তি’যো’দ্ধার বাঁ’ধ’ন খু’লে দেওয়া হয়।

স্থানীয়রা বলেন, বীর মুক্তি’যো’দ্ধা আকবর আলী ধনীকে চেয়ারের সঙ্গে দ’ড়ি দিয়ে বেঁ’ধে রাখা হয়। পরে লোকজন ভি’ড় করলে তার হাতের বা’ধন খুলে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে বীর মুক্তি’যো’দ্ধা আকবর আলী ধনী বলেন, চেয়ারম্যান ও চৌকিদার জো’র’পূ’র্বক আমাকে বাড়ি থেকে তু’লে নিয়ে গিয়ে চেয়ারের সঙ্গে বেঁ’ধে রাখে। আমি ল’জ্জা’য় মাথা নি’চু করে বসে থাকি বলে হাউ’মা’উ করে কা’ন্না শুরু করেন তিনি। আমি এর সঠিক বি’চা’র চাই।

এ বিষয়ে ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মহির উদ্দিন বলেন, মুক্তি’যো’দ্ধা’কে কোনো মা’র’ধর করা হয়নি। তার ছেলে গ’রু চো’র সে জন্য তাকে ডা’কা হয়েছিল। আপনি পরিষদ বা’দ দিয়ে নিজ বাড়িতে বি’চার সালিস করে কেন? এমন প্রশ্ন করা হলে তার কোনো সদুত্তোর মেলেনি। এর আগেও আপনার ওই বাসায় এক যুবককে তু’লে নিয়ে গিয়ে নি’র্যা’ত’নে’র পর ই’য়া’বা দিয়ে ফাঁ’সা’নো চে’ষ্টা করেন এমন প্রশ্ন করা হলে তারও কোনো উত্তর দে’ননি তিনি।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল আলম বলেন, অ’ভি’যো’গ পাওয়া গেলে। তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১৬ মে নুরুজ্জামান নামে এক যুবককে চেয়ারম্যানের ওই বাড়িতে তুলে নিয়ে গিয়ে নি’র্যা’ত’নের পর ই’য়া’বা দিয়ে ফাঁ’সা’নো চে’ষ্টা করেন চেয়ারম্যানের ছেলে জাহাঙ্গীর ও ভাই মনসুর হেলাল। আর সেই ঘটনার ম’ম’লায় বর্তমানে তারা জা’মিনে আছেন। এদিকে গত বছর ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের তিনজন গ্রাম পুলিশ মা’দ’ক’দ্র’ব্য নিয়ে পুলিশের নিকট আ’ট’ক হয়। তাদের মা’ম’লা চলমান রয়েছে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন