মালয়েশিয়ার মন্ত্রীর নেতৃত্বে অভিযান, বাংলাদেশীসহ আটক ১১২

মালয়েশিয়ার পাইকারি বাজার সেলাংগার প্রদেশের সেলাইয়াং (পাচার বরোং) আবারো ব্যাপক ধরপাকড় অভিযানে আটক করা হয়েছে বাংলাদেশি সহ বিভিন্ন দেশের ১৯৮ জনকে। আটককৃতদের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ১১২ জনকে গ্ৰেফতার করে সেদেশের ইমিগ্ৰেশন।

সেলাংগার প্রদেশের ঐ মার্কেটটি বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের দ্বারা পরিচালিত হয় এবং মালয়েশিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঐ মার্কেট থেকে মালামাল ক্রয় করে বিভিন্ন বিদেশিদের দোকানে বিক্রি হয়ে থাকে।আজ ১৬ মার্চ সকাল থেকে বিদেশি শ্রমিকদের ব্যাবসা স্তলে অভিযানে অংশ নেন মালয়েশিয়ার ডেপুটি হোম মিনিস্টার দাতুক আজিজ জামমান এবং ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক দাতুক খায়রুল দাজামি দাউদ।

অভিযানে ইমিগ্রেশন এর পাশাপাশি পুলিশ ও সিটি কর্পোরেশন যোগ দেয়। সময় মায়ানমারের ৪৬ জন এবং ৬৬ জনের কাছে কোন নদী পত্র না থাকায় গ্রেফতার করা হয়। তবে এই অভিযানে কতজন বাংলাদেশী আছে তা এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জানা যায়নি।

এসময় ডেপুটি হোম মিনিস্টার বলেন, আমরা মালয়েশিয়ার নাগরিকদের কাছ থেকে ব্যাপক অভিযোগ পাওয়ার পরেই অভিযান পরিচালনা করে সত্যতা পেলাম। অভিবাসন বিভাগের প্রধান বলেন, আমরা স্থানীয় পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পারি এখানে বিদেশিদের দ্বারা ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালিত হচ্ছে যা মোটেও কাম্য নয়। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানের সময় মার্কেটে আশপাশের এলাকায় সে দেশের নাগরিকরা অবৈধদের গ্রেপ্তারের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করতে থাকেন। কেন বার বার অভিযান হচ্ছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ওই মার্কেটে কর্মরত বাংলাদেশি মোঃ সোহেল এই প্রতিবেদককে জানান, কিছুদিন আগে পত্রপত্রিকায় এই মার্কেটে বিদেশি শ্রমিকদের ব্যাবসা বাণিজ্য প্রত্যক্ষ জড়িত থাকার বিষয়ে সংবাদ প্রচার হলে দুই দফায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হল বিভিন্ন দেশের অধিবাসীদের।

উল্লেখ্য একই জায়গা থেকে গত ৩ই মার্চ গ্রেফতার করা হয় ১৩ জন বাংলাদেশি, মায়ানমারের ৫০,ইন্দোনেশিয়ার ১০ জনকে মোট ৭৩ জনকে আটক করে। এবছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় প্রায় তিন হাজারের উপরে বাংলাদেশীকে আটক করা হয়েছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

পাঠকের মতামত