গুলিবিদ্ধ হয়েও মুসল্লিদের বাঁচাতে চেয়েছিলেন দাউদ নবী

শুক্রবার জুমার নামাজের সময় নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে হামলার ঘটনা ঘটে। আল নুর মসজিদ ও লিনউডের ওই মসজিদে হামলায় শেষ খবর পর্যন্ত ৪৯ জন নিহত এবং ৪৮ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

গুলির সময় দাউদ নবী (৭১) নামে এক সাহসী মুসল্লি অন্য মুসল্লিদের বাঁচাতে নিজেই ঝাঁপ দিয়েছিলেন উগ্রবাদী ওই হামলাকারীর ওপর।

দাউদ নবীর ছেলে ওমর নবীরও সেই মসজিদে থাকার কথা ছিল। কিন্তু কাজের কারণে হামলার সময় থাকা হয়নি মসজিদে তার।

তিনি বলেন, তার বাবা একজন সাধারণ মানুষ ছিলেন। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী ছিলেন। আফগানিস্তান থেকে ১৯৮০ সালে নিউজিল্যান্ডে অভিবাসী হন।

ঘটনার কথা শুনেই তিনি ওমর তার বাবাকে ফোন দিতে থাকেন। কিন্তু কেউ ফোন রিসিভ করেনি তখন।

মার্কিন গণমাধ্যম এনবিসির খবরে বলা হয়, দাউদ নবী নিউজিল্যন্ডে আগত সকল শরণার্থীদের সহায়তায় হাত বাড়িয়ে দিতেন।

ওমর নবী বলেন, শরণার্থীরা আসার সময় তার বাবা বিমানবন্দরে তাদের স্বাগত জানাতে যেতেন। যেকোনো দেশরই হোক না কেন।

এদিকে, ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইল বলেছে, ব্রেনটন আগের দিন পুরো ঘোষণা দিয়ে শুক্রবার হামলা চালায়। বৃহস্পতিবার উগ্রপন্থীদের একটি ওয়েবসাইটে সে বেনামে হামলার ঘোষণা দেয় এবং শুক্রবার হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রশস্ত্রের ছবিও পোস্ট করে।

এ সময় তার অনুসারীরা তাকে হামলায় উৎসাহ দেয়। সেইসঙ্গে তার ওই পোস্ট ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেয় অনুসারীরা।

কিন্তু এত কিছুর পরও নিউজিল্যান্ডের পুলিশ তাকে আটক করেনি। কারণ হিসেবে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তার নাম ওয়াচলিস্টে ছিল না।

পাঠকের মতামত