অদ্ভুত কিছু তথ্য যা আপনার জানা দরকার

পৃথিবীতে বড়ই বৈচিত্রময়। প্রতিনিয়ত এখানে কত রকমের ঘটনাই না ঘটে! এসব ঘটনার কিছু চলে আসে খবরের শিরোনামেও। তেমনি কিছু অদ্ভুত তথ্য নিচে দেওয়া হল-

● পৃথিবীর মোট উৎপাদিত খেলনার মধ্যে ৭০ ভাগই চীন তৈরি করে থাকে!

● ভারতে অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি সংখ্যক পোস্ট অফিস রয়েছে?
● ইংরেজি ‘level’ শব্দটির অক্ষরগুলো উল্টে দিলেও তা একই থাকবে!

● ইংরেজি বর্ণমালায় সর্বাধিক ব্যাবহার করা বর্ণ হলো ‘E’ এবং সবচেয়ে কম ব্যবহার করা বর্ণ হলো ‘Q’।

● একটি ডিমে শুধু ভিটামিন সি বাদে অন্য সব প্রকার ভিটামিন থাকে!

● পৃথিবীর মোট বিক্রি হওয়া ৯৬% মোমবাতিই মেয়েরা কিনে।

● পাবলিক টয়লেট বা বাথরুম ব্যবহার করার পর বিশ্বের ৪২% পুরুষ এবং ২৫% মহিলাই তাদের হাত পরিষ্কার করেন না।

● সুইজারল্যান্ডের মানুষরা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি চকোলেট খায়। বছরে গড়ে প্রতিজন খায় প্রায় ১০ কেজি করে।

● প্রতি মিনিটে পুরো বিশ্বে ৬০০০ বা তার অধিকবার বজ্রপাত হয়!

● আফ্রিকা মহাদেশে অন্য যেকোনো প্রাণীর আক্রমণের চেয়ে জলহস্তীর আক্রমণে বছরে বেশি মানুষ মারা যায়।

● ফ্রেন্স ফ্রাইয়ের জন্মস্থান ফ্রান্সে নয়, বরং বেলজিয়ামে।

● কোথাও ভ্রমণ করার সময় মানুষ টুথব্রাশ নিতে সবচেয়ে বেশি ভুলে যায়।

● আগস্ট মাসে জন্মহার অন্য সব মাসের চেয়ে বেশি। অর্থাৎ বিশ্বে আগস্ট মাসেই সবচেয়ে বেশি জন্মদিন পালন করা হয়।

● যতক্ষণ পর্যন্ত কোনো খাবার আপনার মুখের লালার সাথে না মিশে আপনি ততক্ষণ সেই খাবারের স্বাদ উপভোগ করতে পারেন না।

● অধিকাংশ লিপস্টিক তৈরিতে মাছের আঁশ ব্যবহার করা হয়।

● পাখিদের খাদ্য গেলার জন্য অভিকর্ষজ বলের প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ কোনো পাখিকে যদি চাঁদে নিয়ে খাবার খেতে দেয়া হয় তবে সেটি খাবার গিলতে পারবে না।

● মেয়েদের হার্ট ছেলেদের হার্টের চেয়ে দ্রুত স্পন্দিত হয়।

● শুধু হৃৎপিণ্ডই নয়, মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে এমনকি চোখের পাতাও দ্রুত ফেলে!! (প্রায় দিগুন দ্রুত)

● প্রাচীনকালে মিশরে মমি পুড়িয়ে আগুন তৈরি করা হতো। কারণ, সেখানে কাঠের সল্পতা ছিলো, কিন্তু মমির সল্পতা ছিলো না।

● অ্যান্টার্কটিকাতে সবচেয়ে মোটা (প্রস্থে) বরফের টুকরাটির ব্যাসার্ধ ৩ মাইল!

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত