বরগুনার শুভ্র সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে মুগ্ধ পর্যটকরা

বিস্তীর্ণ সমুদ্র, আর সমুদ্র পাড়ে গভীর ঝাউ বন নিয়ে বরগুনার তালতলীতে যাত্রা শুরু করেছে নতুন একটি পর্যটন কেন্দ্র। পর্যটন কেন্দ্রটি থেকে সূর্যাস্ত দেখা যায় বলে এটির নাম দেয়া হয়েছে শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত। উপচে পড়া পর্যটক না থাকলেও, যারা আসছেন পর্যটন কেন্দ্রটিতে, তারা ফিরছেন মুগ্ধ হয়েই। আর পর্যটন কেন্দ্রটির বিকাশে কাজ করছে জেলা প্রশাসন। সময় টিভি

দুপাশে সারি সারি ঝাউ গাছের ভেতর ঢুকলেই মনে হবে যেন এক স্বপ্নরাজ্যে ঢুকে পড়েছেন আপনি। নির্জন রাস্তা ধরে পায়ে হেঁটে আপনাকে পৌঁছাতে হবে শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে। কিছুক্ষণের মধ্যে দেখা মিলবে বিস্তীর্ণ সমুদ্র পাড়ের, আর বালুর বুকে নানা আলপনায় অলংকৃত করে রেখেছে কাঁকড়ারা। একদিকে সমুদ্রের জলরাশি অন্যদিকে ঝাউবন এখানে আসা স্বল্প সংখ্যক পর্যটকদেরও দিচ্ছে বাঁধ ভাঙা আনন্দ। কেউবা সমুদ্রের পানিতে পা ভিজিয়ে ছুটে বেড়াচ্ছেন, আবার কেউ সঙ্গীকে নিয়ে বালুর বুকে দাঁড়িয়ে ছবির ফ্রেমে বন্দি হচ্ছেন। হেঁটে চলেছেন সমুদ্র পাড়ের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে।

সূর্য যখন হেলে পড়বে পশ্চিম আকাশে, সমুদ্রের পানি আর পাড়ের বালি তখন স্বর্ণালী আলোয় ঝিলমিল করবে। আর এখান থেকেই উপভোগ করতে পারবেন সমুদ্রের বুকে লাল কুসুম সূর্য অস্ত যাওয়া। জেলা প্রশাসন বলছে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হওয়ায় প্রচার অভিযানের মাধ্যমেই বিকশিত করা সম্ভব এ সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্রটি।

বরগুনার জেলা প্রশাসক কবির মাহমুদ বলেন, যাতায়াত ব্যবস্থায় প্রভূত উন্নতি হওয়ার কারণে এইদিকে পর্যটন কেন্দ্রটিও যথেষ্ট উন্নত হয়েছে ।

২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে বরগুনার তালতলী উপজেলা থেকে ১৫ কিলোমিটার দক্ষিণে সমুদ্রপাড়ে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত নামের পর্যটন কেন্দ্রটি।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত