বঙ্গবন্ধু কী করতে চেয়েছিলেন সব মনে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা এক হাতে অর্থ উপার্জন করতেন, আরেক হাতে বিলিয়ে দিতেন। মেয়েদের শিক্ষায়-চিকিৎসায় তিনি অর্থদান করেছেন। মানুষকে মানুষের মতো বেঁচে থাকার সুযোগ করে দিয়েছেন। কুমুদিনী ট্রাস্টের মাধ্যমে অনেক কাজ করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কুমুদিনী কমপ্লেক্সে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা স্মারক স্বর্ণপদক-২০১৯ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

বেলা ১১টায় কুমুদিনী হাসপাতাল মাঠে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা। পরে কুমুদিনী কমপ্লেক্সের প্রধান ফটকের সামনে প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে জেলা পুলিশ গার্ড অব অনার প্রদান করে। প্রধানমন্ত্রী কুমুদিনী হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভারতেশ্বরী হোমস ফটকের সামনে মির্জাপুর উপজেলার তিনটি উন্নয়নকাজসহ জেলার ৩১টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ সময় ছোট বোন শেখ রেহানা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এখানে আসতে পেরে আজ সত্যিই নিজেকে ধন্য মনে করছি। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যে গণহত্যা চালিয়েছিল, মা-বোনদের ওপর অত্যাচার চালিয়েছিল, গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছিল, সেই হানাদার বাহিনী ৭ মে নারায়ণগঞ্জের কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট থেকে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা ও তার একমাত্র ছেলে ভবানী প্রসাদ সাহাকে ধরে নিয়ে হত্যা করে লাশ গুম করে দেয়। তাদের পরিবার কখনো তাদের ফিরে পায়নি। স্বজন হারানোর বেদনা কত যে কঠিন, কত যে যন্ত্রণাদায়ক সেটি আমি বুঝি।

শেখ হাসিনা বলেন, স্বজন হারানোর বেদনা নিয়েই আমার যাত্রা শুরু। একটাই আলো ছিল, জনগণের ভালোবাসা। জনগণের ভালোবাসার শক্তি নিয়েই কাজ করছি আমি। আমি মনে রেখেছি বাবা কী করতে চেয়েছিলেন। তার সব কাজের কথা মনে রেখেছি আমি। বাবার কাজের এতটুকু যদি আমি করতে পারি, সেটাই হবে আমার বড় সাফল্য। বাংলাদেশকে এখন উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে দেখে বিশ্ব। আমরা আরও অনেকদূর এগিয়ে যেতে চাই।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত