আলমডাঙ্গা থেকে নিখোঁজ ২ জনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলা থেকে নিখোঁজ দুইজনের লাশ উদ্ধার হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে জীবননগর ও মহেশপুর থানা পুলিশ পৃথকভাবে তাদের লাশ উদ্ধার করে।

মঙ্গলবার রাতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তাদেরকে মাইক্রোবাসযোগে আলমডাঙ্গা হতে তুলে নেয়া হয় বলে এলাকাবাসী জানান।

জানা গেছে, উথলী গ্রাম হতে উদ্ধারকৃত লাশটি আলমডাঙ্গার ইমরানের (২৬)। তিনি আলমডাঙ্গা উপজেলা শহরের মসজিদপাড়ার বাসিন্দা এবং অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কনস্টেবল মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে। ইমরানের মাথায় এবং বুকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ইমরান আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দ্দারসহ বহু অপকর্মের হোতা। তার বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা, দামুড়হুদা ও কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর থানায় ডাকাতি, ছিনতাই, ইভটিজিং, ধর্ষণ, মোবাইল ছিনতাই ও চুরিসহ প্রায় দুই ডজন মামলা রয়েছে।

অপরদিকে মহেশপুরে উদ্ধারকৃত লাশের পরিচয় এখনো সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তার পরনে জিন্সের প্যান্ট ও গায়ে ব্লেজার রয়েছে। তার বুকে ও কানে গুলি করে হত্যার পর লাশ জীবননগর-কালীগঞ্জ সড়কের ধারে হাসাদাহ জোড়া ব্রিজের সন্নিকটে মহেশপুর থানার অংশে ফেলা রাখা হয়। এ সময় পিছমোড়া করে তার হাত ও পা বাঁধা এবং মুখে কচটেপ সাঁটা ছিলো। জীবননগর ও মহেশপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পিও নির্ধারণ করার পর মহেশপুর থানা পুলিশ অজ্ঞাত (৩২) ঐ যুবকের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের ব্যবস্থা গ্রহণ করে বলে জানা গেছে।

জীবননগর থানার ডিউটি অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর সিরাজুল ইসলাম জানান, ইমরানের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। কে বা কারা ইমরানকে হত্যা করেছে তা এই মুহূর্তে বলা সম্ভব হচ্ছে না।

পাঠকের মতামত