শেরপুরে ভে’জাল সার ও কীটনাশক কারখানা, গ্রে’ফ’তা’র ২

প্রকাশিত: জানু ২৮, ২০২১ / ১১:২৭অপরাহ্ণ
শেরপুরে ভে’জাল সার ও কীটনাশক কারখানা, গ্রে’ফ’তা’র ২

বগুড়ার শেরপুরে চলতি বোরো মৌসুমকে ঘিরে গড়ে উঠা ভে’জাল সার ও কীটনাশক তৈরির কারখানার সন্ধান মিলেছে। ওই অ’বৈ’ধ কারখানা থেকে ৩০ বস্তা ভে’জাল সার ও সার তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। সেই সঙ্গে এই কারবারির সঙ্গে জড়িত স’ন্দেহে দুইজনকে গ্রে’ফ’তা’র করেছে থানা পুলিশ।

বুধবার মধ্যরাতে শেরপুর উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের মহিপুর কলোনি গ্রামের নকল কারখানায় অ’ভি’যা’ন চা’লি’য়ে এসব সার ও সরঞ্জাম উদ্ধার করে পুলিশ। গ্রে’ফ’তা’র’কৃ’তরা হলো উপজেলার মহিপুর কলোনি গ্রামের হাবিবর রহমানের ছেলে জাহিদ হোসেন (৪০) ও আব্দুস সামাদ ফকিরের ছেলে আল আমিন হোসেন (৩৬)। তবে ঘটনার মূলহোতা ওই কারখানার মালিক জাকির হোসেন মিন্টু অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে পা’লি’য়ে যায়। তিনি পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৬-৭ মাস আগে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক সংলগ্ন উপজেলার মহিপুর গ্রামের জাহিদ হোসেনের বাড়ি ব্যবসায়ী জাকির হোসেন মিন্টু নামের এক ব্যক্তি ভাড়া নেন। সেইসাথে তিনি পাশের আরও দুইটি গোডাউন ঘরও ভাড়া নেন। এরপর ওই বাড়িতে ভেজাল সার ও কীটনাশক তৈরি শুরু করেন এবং ভেজাল এসব কৃষিপণ্য বাজারজাত করেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, ভেজাল সার ও কীটনাশক তৈরির ঘর ও গোডাউনের ভেতরে অন্তত ১০টি ভারতীয় কোম্পানির নাম লেখা সারের বস্তা রয়েছে। পাশেই মাটি ও ইটের খোয়া জাতীয় সার তৈরির উপকরণ, রং ও এক প্রকার আঠা রাখা হয়েছে। এছাড়া বেশকিছু নামিদামি কীটনাশক কোম্পানির নাম লেখা খালি নকল প্যাকেট মজুদ রয়েছে।

থানা হাজতে আটক বাড়ির মালিক জাহিদ হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, মালামাল মজুদ ও সরবরাহ করার জন্য তার বাসা ও গোডাউন ভাড়া নিয়েছে। এরপর থেকে সেখানে তারা কী করছে তা আমার জানা নেই।

এ প্রসঙ্গে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, নকল সার কারখানার খবর পেয়ে মহিপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে নকল সার, সার তৈরির সরঞ্জামসহ জড়িত ২ জনকে আটক করা হয়েছে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন