Dec 14, 2018 / 06:56pm

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের ভাবনা

ডিসেম্বর আমাদের বিজয়ের মাস। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে অগণিত প্রাণের বিনিময়ে আমরা অর্জন করেছি আমাদের রাষ্ট্র স্বাধীন বাংলাদেশ। যুদ্ধের পেছনে আছে দীর্ঘ সংগ্রাম। ছাত্ররা সংগ্রাম করেছে, শ্রমিকরা সংগ্রাম করেছে, প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃত্বে সব মানুষ সংগ্রাম করেছে। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের বিজয়। ১৬ই ডিসেম্বর আমরা উদ্যাপন করি বিজয় দিবসরূপে। বিজয়ের ঠিক আগের কয়েক দিন প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবীদের বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়।

গোবিন্দ চন্দ্র দেব, সন্তোষ ভট্টাচার্য, জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, মুনীর চৌধুরী, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, মুহম্মদ মুর্তজা, শহীদুল্লা কায়সার, সিরাজুদ্দীন হোসেন, আ ন ম গোলাম মোস্তফা, আলীম চৌধুরী প্রমুখের নাম শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে সব সময় শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয়। শেরেবাংলা ফজলুল হক, মওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব, তাজউদ্দীন আহমদ, মণি সিংহ এবং আরো অনেক রাজনৈতিক নেতা জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, স্বাধীনতাসংগ্রাম ও স্বাধীনতাযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন। একদিকে ছিল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক ধারা আর অন্যদিকে ছিল বিপ্লববাদী ও মার্ক্সবাদী ধারা।

১৯৭১ সালের ১১ ডিসেম্বর তাজউদ্দীন সরকার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিরোধিতা করার জন্য এবং হত্যাকাণ্ড ও ধ্বংসলীলায় হানাদার বাহিনীর সক্রিয় সহযোগী হওয়ার জন্য মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীসহ চারটি রাজনৈতিক দলকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করেছিল। সে বছর ১৬ই ডিসেম্বরের আগেই জামায়াত পরিচিত হয়েছে বুদ্ধিজীবী হত্যাকারী দল বলে। ১৯৭৩ সালে ১৪ ডিসেম্বর ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ এবং ১৬ই ডিসেম্বর ‘বিজয় দিবস’ বলে ঘোষিত হয় এবং দিন দুটি সেভাবেই উদ্‌যাপিত হয়ে এসেছে।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শুধু শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করাই যথেষ্ট নয়, শ্রদ্ধা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে সমাজে বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা সম্পর্কেও আলোচনা-সমালোচনা দরকার। উন্নত ভবিষ্যৎ সৃষ্টির জন্যই এটা দরকার।

এতে কি কোনো সন্দেহ আছে যে বাংলাদেশের চিন্তাজগৎ এখন সৃষ্টিহীন, গতানুগতির আবর্তে নিমজ্জিত? এই রকম চিন্তা ও মন-মানসিকতা নিয়ে প্রগতি ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কি সম্ভব?

আমি অবশ্যই স্বীকার করব যে মহান চিন্তা ও সৃষ্টিশীলতা আমাদের সমাজে ফল্গুধারার মতো বহমান আছে। কিন্তু তা ফল্গুধারার মতোই আছে, জাতীয় জীবনে তার কোনো কার্যকারিতা নেই।

বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা নিয়ে দেশে আলোচনা-সমালোচনা এখন অল্পই আছে। বুদ্ধিজীবী শব্দটিও এখন কম ব্যবহৃত হয়। আশির দশকে আন্দোলনের মধ্যে বুদ্ধিজীবী কথাটি খুব ব্যবহৃত হয়েছে এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, মৌলবাদবিরোধী আন্দোলন, নারীবাদী আন্দোলন, দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য আন্দোলন ইত্যাদিতে বুদ্ধিজীবীরা ভীষণভাবে সক্রিয় ছিলেন। সরকার পরিবর্তনের পর বুদ্ধিজীবীরা সমালোচিত হতে থাকেন এই বলে যে ‘বুদ্ধিজীবীরা একেবারে পচে গেছে।’ তখন কিছু বুদ্ধিজীবী সামনে আসেন ‘বিশিষ্ট নাগরিক’ নাম নিয়ে। নাগরিক কমিটি, সুশীল সমাজ, নাগরিক আন্দোলন, সামাজিক আন্দোলন ইত্যাদি কথা সামনে আসে।

রাজনীতির প্রকৃতি বদলে যায়। বিরাজনীতিকরণ, নিরাজনীতিকরণ, depoliticization ইত্যাদি কথা সামনে আসে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বিদেশি পর্যবেক্ষক আনা, নির্দলীয় নিরপেক্ষ অরাজনৈতিক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি ঘটে চলে। এসবের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে বৌদ্ধিক কর্মকাণ্ড ও রাজনীতি কি কোনো উন্নত চরিত্র নিয়ে চলছে? এ ধারায় চলতে থাকলে আর ১০ বছর পরে, ২০ বছর পরে আমাদের রাজনৈতিক অবস্থা ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় অবস্থা কী রূপ লাভ করবে? শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে এই প্রশ্নের উত্তর সন্ধানের দিকে শিক্ষিত সমাজের মনোযোগ ঘটা দরকার। আমাদের সংকল্প হওয়া উচিত আমরা তলিয়ে যাব না, আমরা উঠব।

দরকার আত্মজিজ্ঞাসা, আত্মসমালোচনা, আত্মশুদ্ধি। সব কাজের মধ্যে এগুলো দরকার। এগুলোকে সাময়িক ব্যাপার মনে না করে স্থায়ী ব্যাপাররূপে গ্রহণ করতে হবে। সাধারণ মানুষের মধ্যেও দরকার মহৎ মানবীয় গুণাবলির বিকাশ ও জাগ্রত চিত্ততা। হুজুগ আর গণজাগরণের পার্থক্য সম্পর্কে সচেতনতা দরকার। হুজুগ পরিহার করতে হবে, জাগরণ সৃষ্টি করতে হবে।

পাকিস্তান আমলে বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা কি ভালো ছিল? তখন বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা ভালো হলে রাজনীতির অবস্থা অবশ্যই আরো ভালো হতো। তাহলে ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারির পর থেকেই দেশে যে সার্বিক বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় এবং বিশৃঙ্খল অগ্রগতির ধারায় শাসনব্যবস্থার কঠোরতার মধ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট যে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে যায়, তা ঘটতে পারত না—ইতিহাস অন্য রকম হতো।

সে সময়ের ঘটনাপ্রবাহকে বোঝা দরকার ‘বঙ্গবন্ধুর পক্ষশক্তি’ ও ‘বঙ্গবন্ধুর বিপক্ষশক্তি’র ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়ে। ১৯৭৩ সাল থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষশক্তির মধ্যে ছিল আওয়ামী লীগ, আওয়ামী যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ, ন্যাপ (মোজাফফর), একতা পার্টি ও সিপিবি। তখন বঙ্গবন্ধুর বিপক্ষশক্তির মধ্যে ছিল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, ন্যাপ (ভাসানী) ও পিকিংপন্থী বলে অভিহিত সব দল ও গ্রুপ। বঙ্গবন্ধুর পক্ষশক্তি ও বিপক্ষশক্তির ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার মধ্যে বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা কী ছিল? তখনকার রাজনীতিতে রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক চরিত্রের স্বরূপ কেমন ছিল? পক্ষপাতদুষ্ট ইতিহাস দিয়ে কি সুফল হবে?

১৯৪৭ থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত পূর্ব বাংলার বুদ্ধিজীবীদের একটি অংশের ভূমিকা প্রগতিশীল ও প্রশংসনীয় ছিল। সেটা ছিল আমাদের রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের পর্যায়। মুসলিম লীগ তখন ক্ষমতাসীন—মুসলিম লীগের কর্তৃত্বে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাভাবিকভাবেই মুসলিম লীগ তখন অত্যন্ত প্রতাপশালী। ত্রিশের দশকের শেষ দিক থেকেই তৎকালীন বাংলার মুসলমানদের মধ্যে মুসলিম লীগের জনপ্রিয়তা বাড়ছিল। এর আগের পর্যায়ে মুসলমান লেখকদের ও বৃহত্তর শিক্ষিত সমাজের মধ্যে প্রগতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি প্রসারমাণ ছিল। তখন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং পরিচালিত হয়েছিল ঢাকার বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন। এ আন্দোলনের ভাবুক ও কর্মীদের মধ্যে ছিলেন আবুল হুসেন, কাজী আবদুল ওদুদ, কাজী মোতাহার হোসেন, মোতাহের হোসেন চৌধুরী, আবুল ফজল, আবদুল হক প্রমুখ।

মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, এ এফ রহমান ও আরো অনেকে এ আন্দোলনের সহযোগী ছিলেন। এর আগে প্রগতিশীল ভাবধারার পতাকা হাতে এগিয়েছিলেন বেগম রোকেয়া, এস ওয়াজেদ আলী, মোহাম্মদ লুত্ফর রহমান, কাজী নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী, আবুল মনসুর আহমদ ও মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ। ঢাকার বুদ্ধির মুক্তির আন্দোলনের আত্মপ্রকাশ এই লেখকদের ধারা ধরেই। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন পর্যায়ে মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, কাজী মোতাহার হোসেন, মুহম্মদ এনামুল হক, আবুল কাসেম, আবুল মনসুর আহমদ, কবি জসীমউদ্দীন, হাসান হাফিজুর রহমান ও আরো কয়েকজন লেখক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। শুধু আন্দোলনে শরিক থাকার কথা বলছি না, বলছি অগ্রসর চিন্তা ও কাজ দিয়ে জাতিকে এগিয়ে নেওয়া।

পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরেই ১০ থেকে ১২ বছরের মধ্যে একে একে চট্টগ্রাম, ঢাকা ও কুমিল্লায় সাংস্কৃতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনগুলোর মাধ্যমে প্রগতিশীল সংস্কৃতিচেতনা, সাহিত্যচেতনা ও পাকিস্তানের রাষ্ট্রকাঠামোয় পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসনের ও বাঙালি জাতীয়তাবাদের চেতনা বিকশিত হয় সমকাল, উত্তরণ, পূর্বমেঘ প্রভৃতি পত্রিকা এবং প্রতিবছর প্রকাশিত ২১শে ফেব্রুয়ারির সংকলনগুলোর মাধ্যমেও তখন প্রগতিশীল সংস্কৃতিচেতনা, সাহিত্যচেতনা, বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকশিত হয়। ঐতিহাসিকভাবে সময়টা ছিল গণজাগরণের, আমাদের দেশে এবং গোটা দুনিয়ায়।

গণতান্ত্রিক ও সমাজতান্ত্রিক চেতনাও বিকশিত হয়। ১৯৬৪ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে এবং ১৯৬৫ সালে চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় ও কূটনৈতিক সম্পর্ক বিকশিত হতে থাকে। তখন মস্কো ও পিকিং থেকে মার্ক্সবাদী গ্রন্থাদি ও পত্রপত্রিকা ব্যাপকভাবে আসতে থাকে। এতে অল্প সময়ের মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানে ও পশ্চিম পাকিস্তানে মার্ক্সসবাদী চিন্তাধারা ও কার্যক্রম বিকশিত হয়ে চলে।

আইয়ুব খানের শাসনকালে কাজী মোতাহার হোসেন, মুহম্মদ আবদুল হাই, তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া, সিকান্দার আবু জাফর, জহুর হোসেন চৌধুরী, আহমদ শরীফ ও বদরুদ্দীন উমর প্রগতির ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

কিন্তু সাধারণভাবে বুদ্ধিজীবীরা তখন আইয়ুব সরকারের অনুকূলে কাজ করতে থাকেন। একেবারে শুরুতে পশ্চিম পাকিস্তান ও পূর্ব পাকিস্তানে জনসাধারণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সামরিক আইন ও আইয়ুব শাসনকে মেনে নেয়। রাজনীতিবিদদের জন্য তখন রাজনৈতিক কার্যক্রমে অগ্রসর হওয়া কঠিন ছিল। লেখকদের পক্ষেও রাজনৈতিক চেতনা নিয়ে অগ্রসর হওয়া কঠিন ছিল। সে অবস্থায় আইয়ুব সরকার প্রতিষ্ঠা করে পাকিস্তান লেখক সংঘ, পাকিস্তান কাউন্সিল ফর ন্যাশনাল ইন্টিগ্রেশন, ব্যুরো অব ন্যাশনাল রিকনস্ট্রাকশন প্রভৃতি সংস্থা। এগুলোতে পাকিস্তানবাদের পক্ষে কাজ করার জন্য লেখকদের অর্থ প্রদানের আয়োজন করা হয়। আইয়ুব খান প্রবর্তিত মৌলিক গণতন্ত্রের পক্ষে কাজ করার জন্যও সরকার কিছু প্ররোচনার ব্যবস্থা করে। আদমজী, দাউদ, বাওয়ানি প্রমুখ পুঁজিপতি সাহিত্য লেখকদের জন্য কিছু পুরস্কারের ব্যবস্থা করেন। পূর্ব পাকিস্তানের প্রগতিশীল লেখকরা তখন এগুলোতে যুক্ত ও সক্রিয় হয়ে তরুণদের দ্বারা নিন্দিত হন।

বুদ্ধিজীবীদের সম্পর্কে সাধারণ লোকদের ধারণাও খারাপ হয়ে যায়। ছয় দফা আন্দোলনের সময়েও ওই সংগঠনগুলোর মাধ্যমে বুদ্ধিজীবীরা পাকিস্তানের জাতীয় সংহতি দৃঢ় করার জন্য নানা কাজে লিপ্ত থাকেন। তৎকালীন শাহবাগ হোটেল, নবপ্রতিষ্ঠিত পূর্বাণী হোটেল, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট ও আরো নানা জায়গায় পূর্বোক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো লেখকদের নিয়ে অনুষ্ঠানাদি করে। তখন এবং বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অব্যবহিত পরে তরুণ লেখকদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত প্রগতিশীল লেখকরা ভালোভাবেই নিন্দিত হন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের পার্লামেন্টারি পার্টির নেতা, পাকিস্তানের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানকে যখন ঢাকার শিল্পীরা সংবর্ধনা প্রদানের আয়োজন করেন এবং বাংলা একাডেমির ২১শে ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠানমালা উদ্বোধন করার জন্য তাঁকে আমন্ত্রণ করেন তখন বক্তৃতাকালে তিনি শিল্পীদের, লেখকদের প্রশ্ন করেছিলেন—তাঁরা নিজেদের বিবেকের কাছে পরিষ্কার থেকে কাজ করেছিলেন কি না।

আজকের প্রশ্ন : বিশিষ্ট নাগরিকরা, সুধী-সুজনরা, সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশনগুলো রাজনীতিকে যে পথে পরিচালনা করতে চাইছে, পরিচালনা করছে, বাংলাদেশকে তা কোন গন্তব্যের দিকে নিয়ে যাচ্ছে? আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও অন্যান্য দল বাংলাদেশকে কোন গন্তব্যের দিকে নিয়ে চলছে? সামনে কী আছে আমাদের?

লেখক : প্রগতিশীল চিন্তাবিদ, অধ্যাপক

কমেছে ওমানি রিয়াল রেট

817740

একলাফে বেড়ে গেলো সৌদি রিয়াল রেট

817737

কলসি ভর্তি সোনার আশায় শেষ ২০ লাখ টাকা

ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী কোনো বক্তব্য না করার জন্য অনুরোধ করা হলো।