প’দ’ত্যা’গ করলেন ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের এমডি

প্রকাশিত: জানু ২১, ২০২১ / ১২:০২পূর্বাহ্ণ
প’দ’ত্যা’গ করলেন ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের এমডি

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের (আইএলএফএসএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ড. আবদুল খালেক খান প’দ’ত্যা’গ করেছেন।

বুধবার পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। আলোচিত প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারের কারণে প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না। আবার টাকা আদায় করতে গিয়ে হু’ম’কি’র মুখেও পড়েছিলেন আবদুল খালেক খান।

জানতে চাইলে আবদুল খালেক খাবুধবার পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। আলোচিত প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারের কারণে প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না। আবার টাকা আদায় করতে গিয়ে হুমকির মুখেও পড়েছিলেন আবদুল খালেক খান।

জানতে চাইলে আবদুল খালেক খান বলেন, ‘বুধবার পর্ষদ সভা ছিল। সেখানেই আমি প’দ’ত্যা’গ করেছি।’

পদ’ত্যা’গে’র কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সবার মত আমিও স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়েছি।’

জানা গেছে, বুধবার পরিচালনা পর্ষদের সভায় চেয়ারম্যানসহ অন্য পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় কয়েকজন পরিচালক অ’নি’য়’মে জ’ড়ি’ত ব্যক্তিদের বি’রু’দ্ধে যে আইনি প’দ’ক্ষে’প চলছে, তা ব’ন্ধে’র জন্য এমডির ওপর চা’প প্রয়োগ করেন। তারা এমডিকে এসব ব’ন্ধ করতে না পারলে ব’র’খা’স্ত করার হু’ম’কি দেন। একপর্যায়ে সেই সভাতেই পদ’ত্যা’গ’প’ত্র জমা দেন আবদুল খালেক খান।

পিকে হালদারের নিয়োগ করা পরিচালকদের সরিয়ে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক সুপারিশ করলেও তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। তারাই এখনও প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

সূত্র জানায়, টাকা ফেরত না পেয়ে কয়েকজন গ্রাহক আদালতে গেলে চেয়ারম্যান হিসেবে সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে দায়িত্ব দেন। তিনি দায়িত্ব নিয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের উদ্যোগ নেন।

ওই সময় কমার্স ব্যাংকের সাবেক এমডি খালেক খান নিয়োগ পান। তবে দায়িত্ব নেয়ার এক মাসের মাথায় ইব্রাহিম খালেদ পদত্যাগ করেন।

পরে আদালত সাবেক সচিব নজরুল ইসলাম খানকে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেন। আবদুল খালেক খানকে এমডি হিসেবে দায়িত্ব দেন গত বছরের ১৪ জুন। চলতি বছরে আগস্টে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। বলেন, ‘বুধবার পর্ষদ সভা ছিল। সেখানেই আমি পদত্যাগ করেছি।’

পদত্যাগের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সবার মত আমিও স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়েছি।’

জানা গেছে, বুধবার পরিচালনা পর্ষদের সভায় চেয়ারম্যানসহ অন্য পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় কয়েকজন পরিচালক অনিয়মে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যে আইনি পদক্ষেপ চলছে, তা বন্ধের জন্য এমডির ওপর চাপ প্রয়োগ করেন। তারা এমডিকে এসব বন্ধ করতে না পারলে বরখাস্ত করার হুমকি দেন। একপর্যায়ে সেই সভাতেই পদত্যাগপত্র জমা দেন আবদুল খালেক খান।

পিকে হালদারের নিয়োগ করা পরিচালকদের সরিয়ে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক সুপারিশ করলেও তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। তারাই এখনও প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

সূত্র জানায়, টাকা ফেরত না পেয়ে কয়েকজন গ্রাহক আদালতে গেলে চেয়ারম্যান হিসেবে সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে দায়িত্ব দেন। তিনি দায়িত্ব নিয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের উদ্যোগ নেন।

ওই সময় কমার্স ব্যাংকের সাবেক এমডি খালেক খান নিয়োগ পান। তবে দায়িত্ব নেয়ার এক মাসের মাথায় ইব্রাহিম খালেদ পদত্যাগ করেন।

পরে আদালত সাবেক সচিব নজরুল ইসলাম খানকে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেন। আবদুল খালেক খানকে এমডি হিসেবে দায়িত্ব দেন গত বছরের ১৪ জুন। চলতি বছরে আগস্টে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন