ম’র’ণ ফাঁ’দ এখন বাঁশের সাঁকোটি

প্রকাশিত: জানু ১৯, ২০২১ / ১২:০৮পূর্বাহ্ণ
ম’র’ণ ফাঁ’দ এখন বাঁশের সাঁকোটি

কপোতাক্ষে নদের উপর তালা উপজেলার ঘোষনগর খেয়াঘাটের বাঁশের সাঁকোটি এখন ম’র’ণ ফাঁ’দে প’রিণত হয়েছে। সাঁকো পারাপারে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছো’ট-খা’টো দু’র্ঘ’ট’না। এ ব্যাপারে ভু’ক্ত’ভো’গী এলাকাবাসী প্রয়োজনীয় প’দ’ক্ষে’প গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জ’রুরী হ’স্ত’ক্ষে’প কা’মনা করেছেন।

মো. কুদ্দুস শেখ, মো. নজরুল ইসলাম, মো. মনিরুজ্জামান, সোহরাব মোড়ল, কার্ত্তিক কপাট, উত্তম হালদার, পিয়া আক্তারসহ কয়েকজন ভু’ক্ত’ভো’গী জানান, তালা উপজেলার জালালপুর ও পাইকগাছাসহ বিভিন্ন এলাকার বিস্তীর্ণ জনপদের শত শত মানুষের নদী পারাপারে বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিদিন জী’ব’নের ঝুঁ’কি নিয়ে এ সাঁকোর ওপর দিয়ে পার হতে হয়। সাঁকোর খন্ড খন্ড চরাটগুলির কোনটাই এখন আর নি’রা’প’দ নয়। বাঁ’ধ’ন না থাকায় তার উপর পা দি’লেই রয়েছে গ’ড়ি’য়ে প’ড়া’র ঝুঁ’কি। নেই ন্যূনতম কোন গার্ডার। এতে করে চলতি শীত মৌসুমে সন্ধ্যা নামতেই কুয়াশার প্রলেপ সাঁকোর পাটাতনগুলিকে পি’চ্ছি’ল করে দেয়। এমন অবস্থায় সাঁকো দিয়ে মানুষ পা’রা’পা’রে কোন রকম অ’সা’ব’ধা’ন’তা’য় পা স’রে মালামালসহ প’ড়তে হয় পা’নিতে। এতে কোন রকম প্রা’ণে বেঁ’চে গে’লেও শীতে ভে’জা কা’প’ড় ও সাথে থাকা মালামালসহ মূল্যবান জিনিষপত্র ন’ষ্ট হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

ভু’ক্ত’ভো’গী’রা আরও জানান, ঘোষনগর খেঁয়াঘাটে বরাবরই যাত্রী পারাপারে অতি’রি’ক্ত টোল আদায় করা হয়। এনিয়ে ঘাঁট মালিক-যাত্রীদের মধ্যে প্রায়ই ঝ’গ’ড়া-বি’বা’দ লে’গেই থাকে। তবে টোল বেশি নিলেও সেখানে সেবার মান ক্র’মশ খা’রা’প হচ্ছে। বরং জীবনের ঝুঁ’কি নিয়ে পার হতে হয় সাঁকোটি। এত কিছুর পরও হু’শ হচ্ছেনা সংশ্লিষ্টদের।

তবে সাঁকো পারাপারে জনভোগান্তিসহ নানা অ’নি’য়’মে’র খবরে ঘাট এলাকায় গেলে সাক্ষাত পাওয়া যা’য়নি ঘাটের ইজারাদারসহ দায়িত্বশীল কাউকে।

এ ব্যাপারে জালালপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম মফিদুল হক লিটু জানান, খেয়াঘাটের বাঁশের সাঁকোটি চলাচলের একেবারে অ’নু’প’যো’গী হয়ে প’ড়েছে। ঘাটের ইজারাদারের এটি মে’রা’ম’তে’র কথা থাকলেও তিনি সেটা করছেন না।

তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তারিফ-উল-হাসান বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবে জনস্বার্থে বিষয়টি খ’তি’য়ে দেখে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন