ঘাতক বাসটি দুইশ’ গজ টেনে নিয়ে যায় অটোরিকশাকে

প্রকাশিত: জানু ৩, ২০২১ / ০৭:৩৩অপরাহ্ণ
ঘাতক বাসটি দুইশ’ গজ টেনে নিয়ে যায় অটোরিকশাকে

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় বাস ও সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের ৬ জনসহ সিএনজির সাত যাত্রী নিহ’ত হয়েছেন। রোববার বেলা ১টার দিকে এ দু’র্ঘ’টনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রুতগতির শাহজালাল পরিবহনের বাসটি বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাককে সাইড দিতে গিয়ে সিএনজি অটোর সঙ্গে মুখোমুখি সং’ঘর্ষ হয়। এ সময় অটোরিকশাকে কমপক্ষে দুইশ’ গজ টেনে নিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ওই সাত যাত্রী মা’রা যান। দুর্ঘ’টনার পর ওই সড়কে প্রায় দুই ঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে।

নিহতরা হলেন- নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার আগিয়া ইউনিয়নের ফেচুয়ালেঞ্জি গ্রামের মৃ’ত হামিদ আলীর ছেলে মাওলানা ফারুক আহমেদ (৪২), তার স্ত্রী মাসুমা খাতুন (৩৫) ও নবজাতক কন্যাশিশু, ফারুকের বড়ভাই নিজাম উদ্দিন (৫০),

ছোটবোন জুলেখা খাতুন (৩০), চাচাতো ভাইয়ের বউ জোৎস্না বেগম (৩০) এবং সিএনজি চালক সদর উপজেলার চরলক্ষীপুর গ্রামের রকিবুল (৩০)। তারা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে মাওলানা ফারুক আহমেদের নবজাতক কন্যাকে নিয়ে নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার আগিয়া ইউনিয়নের ফেচুয়ালেঞ্জি গ্রামের নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন।

তারাকান্দা থানার ওসি আবুল খায়ের জানান, ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা আঞ্চলিক সড়কের গাছতলা নামক স্থানে নেত্রকোনা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী শাহজালাল পরিবহনের একটি বাস বেলা ১টার দিকে ময়মনসিংহ থেকে নেত্রকোনাগামী অপর একটি সিএনজির মুখোমুখি সংঘ’র্ষে এ দু’র্ঘটনা ঘটে।

ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক প্রাণনাথ সাহা জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ফায়ার সার্ভিস স্থানীয়দের সহযোগিতায় সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন