কোরবানির গরুর ভালো-মন্দ বোঝার উপায়

দরজায় কড়া নাড়ছে কোরবানির ঈদ (ঈদুল আজহা)। সামর্থ্যবানরা ছুটছেন গরু কিনতে। কোরবানির গরু কেনার সময় সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরী। কারণ কোরবানি কবুল হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পশু সুস্থ-সবল হওয়া।

সুস্থ পশু চেনার উপায়: ১. পশুর চোখ উজ্জ্বল ও তুলনামূলক বড় আকৃতির। ২. সুস্থ পশু অবসরে জাবর কাটে (পান চিবানোর মতো)। ৩. কান নাড়ায় ও লেজ দিয়ে মাছি তাড়ায়। ৪. বিরক্ত করলে প্রতিক্রিয়া দেখায়, সহজেই রেগে যায়। ৫. গোবর স্বাভাবিক থাকে। ৬. দেখতে প্রাণবন্ত, চামড়া ঝকঝকে দেখায় ৭. পাঁজরের হাড় উঁচু-নিচু থাকে। ৮. নাকের উপরের অংশ ভেজা মনে হয়। ৯. খাবার এগিয়ে দিলে জিহ্বা দিয়ে তাড়াতাড়ি টেনে নেওয়ার চেষ্টা করে।

অসুস্থ পশু চেনার উপায় : ১. পশুটি ভালোভাবে খেতে চায় না। ২. হেলেদুলে ও ধীরে চলে। ৩. রোদে কম থাকতে চায়, ধীরে ধীরে ছায়া খোঁজে।

কৃত্রিমভাবে মোটাতাজাকৃত পশু চেনার উপায়: ১. মোটাতাজা করার ওষুধ দিলে পশুর শরীরে পানি জমে ফুলে ওঠে এবং পানির উপস্থিতি সহজে টের পাওয়া যায়। ২. পানির প্রতি আকর্ষণ বেশি থাকে। ৩. লেজ দিয়ে মাছি তাড়াতে দেখা যায় না। ৪. খাবার তুলনামূলকভাবে কম খায়। ৫. আঙুল দিয়ে পশুর শরীরের মাংসল অংশে চাপ দিলে শরীর দেবে যায়। সুস্থ গরুর রানের মাংস থাকবে শক্ত এবং ট্যাবলেট খাওয়ানো গরুর ক্ষেত্রে তা নরম হয়। ৬. পশু এক জায়গায় বসে থাকে, নড়াচড়া কম করে। ৭. এই ধরনের গরুর প্রস্রাবের পরিমাণও কমে যায়। ৮. মুখে অতিরিক্ত লালা বা ফেনা থাকে।

প্রিয় পাঠক, আপনার মূল্যবান শেয়ার / মতামতের এর জন্য ধন্যবাদ।

পাঠকের মতামত