পাকিস্তানে মন্দিরে হা’ম’লা-ভা’ঙ’চুর

প্রকাশিত: ডিসে ৩১, ২০২০ / ১১:৩৬অপরাহ্ণ
পাকিস্তানে মন্দিরে হা’ম’লা-ভা’ঙ’চুর

পাকিস্তানে উত্তর-পশ্চিমের রাজ্যে খাইবার পাখতুনখোয়ার কারাক জেলায় হিন্দুদের এক মন্দিরে অ’গ্নি’সং’যো’গ ও ভা’ঙ’চু’রের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার জন্য এখন পর্যন্ত ২৬ জনকে আ’ট’ক করা হয়েছে। বুধবার অভিযুক্তরা এ সহিংসতা ঘটায় বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে খবর প্রকাশ করেছে হিন্দুস্তান টাইমস।

স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা রহমতুল্লাহ ওয়াজির বলেন, আদালতের নির্দেশে মন্দির সম্প্রসারণের কাজ চলছিল সেখানে। সেটির বি’রু’দ্ধে শান্তি’পূর্ণ বি’ক্ষো’ভ করবেন বলে কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলেন স্থানীয় মুসলিম নেতারা। কিন্তু বি’ক্ষো’ভে’র সময় তারা উ’স’কা’নি’মূ’লক বক্তব্য দিতে শুরু করেন। এর পরই উ’ত্তে’জি’ত নেতা ও কর্মীরা মন্দিরে আ’গু’ন ধ’রি’য়ে দে’য় এবং কেউ কেউ হা’তু’ড়ি দিয়ে দে’য়াল ভে’ঙে দেন। হা’ম’লা’র ভিডিও ফুটেজে এমনটাই দেখতে প্যে’ছি আমরা।

ফজল নামের আরেক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, হা’ম’লা’র অ’ভি’যো’গে এখন পর্যন্ত ২৬ জনকে আ’ট’ক করা হয়েছে এবং আরো ৫০ জনের খোঁ’জ অ’ব্যা’হত আছে।

পাকিস্তানের ধর্মমন্ত্রী নুরুল হক কাদরি এই হা’ম’লা’কে ‘ধর্মীয় সম্প্রীতির বি’রু’দ্ধে ষ’ড়’য’ন্ত্র’ মন্তব্য করে এক টুইটে বলেন, ধর্মীয় সং’খ্যা’ল’ঘু’দের প্রার্থ’না’স্থ’লে হা’ম’লা কো’নোভাবেই গ্রহণযোগ্য না এবং ইসলামও এটা কোনো’ভাবে স’মর্থন করে না। সং’খ্যা’ল’ঘু’দের ধর্মীয় স্বাধীনতা র’ক্ষা ধর্মীয়, সাংবিধানিক, নৈতিক ও জাতীয় দায়িত্ব।

পাকিস্তানের প্রাচীন শহর পেশোয়ার থেকে ১৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত কারাক জেলা। সেখানে ১৯ শতকের শুরুর দিকে মন্দিরটি স্থাপিত হয়েছিল। ১৯৯৭ সালে হা’ম’লা চা’লি’য়ে মন্দিরটি ভা’ঙ’চু’র করে দু’র্বৃ’ত্ত’রা। এরপর ২০১৫ সালে এক আদেশে এটি পুনঃর্নিমাণের ঘোষণা দিয়ে রায় দেন সুপ্রিম কোর্ট।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন