দুবাই আবুধাবি শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপে ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত ইউএস-বাংলার

প্রকাশিত: নভে ২২, ২০২০ / ১১:৫৩অপরাহ্ণ
দুবাই আবুধাবি শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপে ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত ইউএস-বাংলার

নতুন বছরের শুরুতে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গন্তব্য দুবাই ও আবুধাবিতে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়েছে ইউএস-বাংলা। একইসঙ্গে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বো ও মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে এয়ারলাইন্সটি। রবিবার (২২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কক্সবাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ইউএস- বাংলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শিকদার মেজবাহউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘ক’রো’না’র দ্বিতীয় ঢেউয়ের শঙ্কার মধ্যেও দেশে অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রী পরিবহন বেড়েছে। তবে ক’রো’না’র ক্ষ’তি পুরোপুরি কা’টিয়ে উঠতে অন্তত দুই বছর সময় লাগবে।’

ল্যান্ডিং, নেভিগেশন ও পার্কিংসহ বিভিন্ন চার্জ ক’মা’নোর দা’বি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে। আন্তর্জাতিক রুট নি’র্বি’ঘ্ন করতে ইউএস-বাংলার বহরে শিগগিরই আরও দুটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এবং দুটি ব্র্যান্ড নিউ এটিআর যুক্ত হবে।

শিকদার মেজবাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ক’রো’না’কা’লে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সই একমাত্র দেশীয় এয়ারলাইন্স, যে একটি মাত্র রুটে ফ্লাইট চলাচল অব্যাহত রেখেছিল। তা হচ্ছে ঢাকা থেকে গুয়াংজু। ক’রো’না’ভা’ই’রা’সের ম’হা’মা’রির মাঝেও বিভিন্ন দেশে আ’ট’কে পড়া বাংলাদেশিদের ফি’রিয়ে আনতে আমরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১০০টির অধিক স্পেশাল ফ্লাইট পরিচালনা করেছি ‘ তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ঢাকা থেকে কলকাতা, চেন্নাই ছাড়াও মাস্কাট, দোহা, সিঙ্গাপুর, কুয়ালালামপুর ও গুয়াংজু রুটে আমরা ফ্লাইট পরিচালনা করছি। এছাড়া চট্টগ্রাম থেকে মাস্কাট, দোহা ও চেন্নাই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা অব্যাহত রেখেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।’

ইউএস বাংলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘বিশ্বের অনেক বিখ্যাত এয়ারলাইন্স কো’ভি’ড ১৯ এর সময় এয়ারলাইন্সকে টিকিয়ে রাখার জন্য কর্মীদের ছাঁ’টা’ই করতে বা’ধ্য হয়েছে। বা’ধ্য’তা’মূ’ল’ক অবসরে পাঠিয়েছে। কিন্তু ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স কর্মীদের নিজের পরিবারে রেখে দেওয়ার মানসিকতা দেখিয়েছে। সব কর্মীকে বিনামূল্যে কো’ভি’ড ১৯ টেস্ট করতে সহযোগিতা করেছে।’

সরকারের কাছে দা’বি জানিয়ে ইউএস বাংলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ‘নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম ইন্ডাস্ট্রিজ। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতকে বাঁ’চি’য়ে রাখতে সরকারের সহায়তার জন্য আবেদন করেছে বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলো। বিশেষ করে অ্যারোনটিক্যাল ও নন-অ্যারোনটিক্যাল চার্জকে সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা, জেট ফুয়েল কস্টকে আন্তর্জাতিক মানদ’ণ্ডে নিরূপণ করা, প্যাসেঞ্জার এয়ারলাইন্সের জন্য হ্যাঙ্গার সুবিধা ইত্যাদি।’

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন