বাবর আজমের ব্যাটিং নৈপুণ্যে দাপুটে জয় পেলো পাকিস্তান

প্রকাশিত: নভে ৭, ২০২০ / ০৯:১০অপরাহ্ণ
বাবর আজমের ব্যাটিং নৈপুণ্যে দাপুটে জয় পেলো পাকিস্তান

ফর্মের তুঙ্গে রয়েছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম। তার ব্যাটিং নৈপুণ্যে ৬ উইকেটের জয় পেয়েছে পাকিস্তান। এই জয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা।

এর আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেয় পাকিস্তান। ওয়ানডে সিরিজে এক সেঞ্চুরি ও সমান ফিফটিতে সর্বোচ্চ ২২১ রান করেন পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম। তিনি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ১৯ রান করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে ৭৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।

টানা দুই জয়ে ওয়ানডে ট্রফি নিশ্চিত করার পর শেষ ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে আউট হয়ে ফেরেন বাবর। তার আগে করেন ১২৫ বলে ১২৫ রান। শেষ মুহূর্তে মুজারাবানির দুর্দান্ত বোলিংয়ে ম্যাচ টাই করে পাকিস্তান। সুপার ওভারেও অসাধারণ বোলিং করেন মুজারাবানি। তার পারফরম্যান্সে ভর করেই পাকিস্তানের মাঠে প্রথম ওয়ানডে জয়ের ইতিহাস গড়ে জিম্বাবুয়ে।

শনিবার শুরু হয় তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। রাওয়ালপিন্ডিতে আগে ব্যাট করে ওয়েসলি মাধেভের ৪৮ বলের অপরাজিত ৭০ রানে ভর করে ৬ উইকেটে ১৫৬ রান করে জিম্বাবুয়ে।

টার্গেট তাড়া করতে নেমে ওপেনার বাবর আজমের সঙ্গে ৩৬ রানের ‍জুটি গড়ে আউট হন ফখর জামান। তিনে ব্যাটিংয়ে নেমে বাবরের সঙ্গে ২৬ রানের জুটি গড়ে ফেরেন হায়দার আলী। এরপর সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ হাফিজকে সঙ্গে নিয়ে ৮০ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যান বাবর আজম।

জয় থেকে মাত্র ১৫ রান দূরে থাকতেই আউট হয়ে ফেরেন অধিনায়ক বাবর আজম। তার আগে ৫৫ বলে ৯টি চার ও এক ছক্কায় খেলেন ৮২ রানের ঝকঝকে ইনিংস। এর আগে ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচে ৭৭* ও ১২৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।

পাকিস্তানের জয়ের জন্য শেষ ১০ বলে প্রয়োজন ছিল মাত্র ১ রান। খেলার এমন অবস্থায় মুজারাবানির দুর্দান্ত বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন মোহাম্মদ হাফিজ। তার আগে ৩২ বলে তিন চার ও এক ছক্কায় ৩৬ রান করেন তিনি। ওই ওভারের পঞ্চম বলে লেগবাই সূত্রে এক রান নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন মোহাম্মদ রেজোয়ান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

জিম্বাবুয়ে: ২০ ওভারে ১৫৬/৬ (মাধেভের ৭০*, উইলিয়ামস ২৫, চিগুম্বুরা ২১, টেইলর ২০; হারিস রউফ ২/২৫, ওয়াহাব রিয়াজ ২/৩৭)।

পাকিস্তান: ১৮.৫ ওভারে ১৫৭/৫ (বাবর আজম ৮২, হাফিজ ৩৬, ফখর জামান ১৯, হায়দার আলী ৭, খুশদিল শাহ ৫*; মুজারাবানি ২/২৬)।
ফল: পাকিস্তান ৬ উইকেটে জয়ী।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন