কক্সবাজার দোকান উ’চ্ছে’দ নিয়ে ব্যবসায়ী-পুলিশ সং’ঘ’র্ষ

প্রকাশিত: অক্টো ১৭, ২০২০ / ০৭:৪১অপরাহ্ণ
কক্সবাজার দোকান উ’চ্ছে’দ নিয়ে ব্যবসায়ী-পুলিশ সং’ঘ’র্ষ

কক্সবাজার সাগর পাড়ের সুগন্ধা পয়েন্টে অ’বৈ’ধ স্থাপনা উচ্ছেদের সময় ব্যবসায়ী ও পুলিশের মু’খো’মু’খি সং’ঘ’র্ষে ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আ’হ’ত হয়েছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এ সময় পুলিশকে ফাঁ’কা গু’লি ব’র্ষ’ণ ও টিয়ার শেল নি’ক্ষে’প করতে হয়েছে। শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে বুল ডোজার দিয়ে ৫২টি অ’বৈ’ধ দোকান উচ্ছেদকালে এ ঘটনা ঘটে।

সং’ঘ’র্ষে’র সময় ধা’ও’য়া-পা’ল্টা ধা’ও’য়া, পুলিশের লা’ঠি’চা’র্জ ও ক্ষু’ব্ধ ব্যবসায়ীদের ইটপাটকেলে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) সচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু জাফর রাশেদ, কক্সবাজার সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ শাহরিয়ার মোক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) পংকজ বড়ুয়া, সদর মডেল থানার ওসি শেখ মুনির উল গীয়াস, যমুনা টিভির কক্সবাজার প্রতিনিধি নুরুল করিম রাসেল, সাংবাদিক ইকবাল বাহার চৌধুরীসহ অন্তত ১০ জন আ’হ’ত হন।

আ’হ’ত অন্যান্যদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে সং’ঘ’র্ষ আরো মা’রা’ত্ম’ক আকার ধারণ করার আগেই কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ ও হা’ম’লা’কা’রী’দে’র মু’খো’মু’খি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন জানান, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশনায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও কক্সবাজার পৌরসভা যৌথভাবে অ’ভি’যা’ন পরিচালনা করে।

গত ১ অক্টোবর আপিল বিভাগ কক্সবাজার সাগর পাড়ের কলাতলী এলাকায় সৈকতসংলগ্ন ৫২টি দোকান উচ্ছেদের আদেশ দিয়েছিলেন। উচ্ছেদ করা এসবের বেশির ভাগই হচ্ছে শুটকির দোকান।

জেলা প্রশাসক বলেন, সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করার কোনো সুযোগ নেই। তবুও দোকানিদের মালামাল নিজ দায়িত্বে সরাতে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। আদালতের আদেশেই সৈকত এলাকার ৫২টি অ’বৈ’ধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন