কাতারে তুরস্কের সামরিক ঘাঁটি নিয়ে আমিরাতের ক্ষু’ব্ধ প্রতিক্রিয়া

প্রকাশিত: অক্টো ১১, ২০২০ / ০৮:৩৬অপরাহ্ণ
কাতারে তুরস্কের সামরিক ঘাঁটি নিয়ে আমিরাতের ক্ষু’ব্ধ প্রতিক্রিয়া

কাতারে তুর্কি সামরিক ঘাঁ’টি মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে অ’স্থি’তি’শী’ল’তা সৃষ্টি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনোয়ার গারগাশ।

শনিবার মধ্যপ্রাচ্যে তুরস্কের সামরিক উপস্থিতির স’মা’লো’চ’না করে দেয়া এক টুইটার পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি। খবর আরব নিউজের।

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে তুরস্কের সামরিক উপস্থিতি অনেকটা জ’রু’রি অবস্থা জা’রি’র মতো মন্তব্য করে আনোয়ার গারগাশ বলেন, তুরস্ক মেরুকরণ জো’র’দা’র করেছে এবং এ অঞ্চলের দেশগুলোর স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের স্বার্থকে বিবেচনায় নেয় নি।

২০১৭ সালের ৫ জুন স’ন্ত্রা’স’বা’দে সমর্থনের অ’ভি’যো’গ এনে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছি’ন্ন করে সৌদি আরব, বাহরাইন, কুয়েত ও মিসরসহ কয়েকটি দেশ।

এই সংকট শুরুর দুইদিন পর তুরস্কের পার্লামেন্ট কাতারে তাদের সামরিক ঘাঁ’টিতে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয়। তাদের সামরিক সম্পর্ক আরও জো’র’দা’র হয়।

অ’ব’রো’ধ জা’রি’কৃ’ত দেশগুলোর ১৩ দা’বি’র মধ্যে একটি ছিল কাতার থেকে তুরস্কের সামরিক ঘাঁ’টি প্র’ত্যা’হা’র করা। তবে সেই পথে হাঁটেনি কাতার।

২০১৫ সালের ১৮ জুন তারিক ইবন জিয়াদ সামরিক ঘাঁ’টি’তে প্রথমবারের মতো অবস্থান নেয় তুর্কি সেনারা। এতে করে কাতারের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি পায়।

স’ন্ত্রা’স দ’ম’ন করে এই অঞ্চলে শান্তিও স্থি’তি’শী’ল’তা বজায় রাখার আশা ব্যক্ত করেন উভয় দেশের নেতারা।

কাতারে মোতায়েন করা তুর্কি সেনারা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করছে বলে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান মন্তব্য করার পর সম্প্রতি সৌদির এক প্রিন্স তুরস্কের পণ্য ব’র্জ’নে’র আহ্বান জানান।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন