দেশে আ’টকে থাকা সৌদি প্রবাসীদের জন্য দারুণ সুখবর

প্রকাশিত: অক্টো ৮, ২০২০ / ০৩:২৮অপরাহ্ণ
দেশে আ’টকে থাকা সৌদি প্রবাসীদের জন্য দারুণ সুখবর

সৌদি আরব থেকে ছুটিতে দেশে এসে আ’টকে পড়া প্রবাসী কর্মীদের ভিসার মেয়াদ বেড়েছে। আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত এ মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এতে গত ৩০ সেপ্টেম্বরের পর ভিসা বাতিল হয়ে যাওয়া কর্মীদের ফিরে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হলো। এর আগে মেয়াদ বাড়ানোর দাবিতে টানা দুই সপ্তাহ ঢাকায় বি’ক্ষো’ভ করে প্রবাসী কর্মীরা। গতকাল পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন ভিসা বাড়ানোর তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে দিয়েছে সৌদি আরব।

সূত্র বলছে, ছুটিতে যাওয়ার সময় সব প্রবাসী কর্মীকে ‘এক্সিট রি-এন্ট্রি ভিসা’ বা পুনরায় প্রবেশের ভিসা নিয়ে যেতে হয়। ছুটি যত দিনের, এ ভিসাও তত দিনের থাকে। তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ফিরে যেতে হয়। নিয়োগকর্তা (কফিল) ছুটি বাড়ালে ভিসার মেয়াদও বেড়ে যায়। কারও যদি আকামার মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, তাও বাড়িয়ে নিতে হয়। এসব কাজ অনলাইনে করতে পারেন কফিল। কিন্তু করোনার জন্য বিভিন্ন দেশের লাখো কর্মী আ’টকা পড়েছেন। তাদের সবারই ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। তাই হাজার হাজার ক’ফিলের পক্ষ হয়ে এর আগে সৌদি সরকার স্বয়ং’ক্রিয়ভাবে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ বাড়িয়ে দেয়। এবার তা ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ল।

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা সমস্যা ঘনীভূত হচ্ছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, কক্সবাজারে রোহিঙ্গা সমস্যা ঘনীভূত হচ্ছে এবং এর ফলে আঞ্চলিক অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। গতকাল তিনি তার দফতরে সাংবাদিকদের বলেন, রোহিঙ্গাদের কারণে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এ বিষয়টি আমরা অনেক দিন ধরে বলে আসছি।

এটি বাংলাদেশ, মিয়ানমার এবং পুরো অঞ্চলের জন্য খারাপ হবে। যারা স’ন্ত্রা’স করে তাদের কোনো সীমান্ত নেই, তাদের কোনো ধর্ম নেই। সাতজন রোহি’ঙ্গা সম্প্রতি নি’হত হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এটি দুঃ’খজনক। আমরা দুটি প্রস্তাব করেছিলাম। কিন্তু এনজিও ও সাহায্যকারী সংস্থাগুলো তা পছন্দ করেনি । চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারতসহ অনেকে মিয়ানমারে বিনিয়োগ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের সবাইকে বলি, আপনারা বিনিয়োগ করছেন এটি ভালো। কিন্তু ওখানে যদি অনিশ্চয়তা দেখা দেয় তবে আশাপ্রদ লাভ পাবেন না। শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য আমাদের সাহায্য করেন।

কাঁটাতারের বেড়া এবং ৪জি নেটওয়ার্ক কমানো-সংক্রা’ন্ত দুটি প্রস্তাবের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৪জি বিষয়ে আপত্তি করেছিলাম। কারণ আমাদের কাছে তথ্য ছিল যে এই ৪জি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এখানে মেয়েদের বিক্রি করা হয় এবং মানবপাচার হয়। মা’দ’ক চোরাচালান বাড়ে। কিন্তু আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছে এটি এক নম্বর ইস্যু হয়ে গেল কেন ৪জি হচ্ছে না। কাঁটাতারের বেড়ার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, তারা বিরোধিতা করেছিল কারণ এর ফলে ক্যাম্পগুলো জেলের মতো হয়ে যাবে। যদিও অন্যান্য দেশে এটি আছে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন