১০টির বেশি আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার ছো’ড়া ম’র্টার পড়েছে ইরানে

প্রকাশিত: অক্টো ৫, ২০২০ / ১০:৪৪অপরাহ্ণ
১০টির বেশি আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার ছো’ড়া ম’র্টার পড়েছে ইরানে

বি’তর্কিত নাগর্নো-কারাবাখ নিয়ে সং’ঘর্ষরত আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার ছোড়া ১০টির বেশি ম’র্টা’র ইরানে এসে পড়েছে। ইরানের সীমান্তবর্তী ‘খোদা অফারিন’ জেলায় এসব ম’র্টা’র এসে পড়েছে বলে সেখানকার গভর্নর আলী আমিরি রাদ নিশ্চিত করেছেন।

আলী আমিরি বলেছেন, সং’ঘ’র্ষ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ১০টির বেশি ম’র্টা’র ইরান ভূখণ্ডে আ’ঘা’ত হেনেছে। এগুলো অনাবাসিক ও কৃষিজমিতে এসে পড়েছে। সৌভাগ্যের বিষয় এতে কেউ নি’হ’ত হয়নি।

তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, ম’র্টা’র আ’ঘাত হা’নার ফলে ইরানের এক শিশু আ’হ’ত হয়েছে, খবর পার্স টুডের।

ইরান স্পষ্টভাবে এই বিষয়ে হুঁ’শি’য়ারি দিয়েছে। দুই দেশকেই ইরানের সীমান্ত ল’ঙ্ঘনের বিষয়ে স’তর্ক থাকতে বলেছে তেহরান। কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে দুদেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে নতুন করে সং’ঘ’র্ষ শুরু হয়েছে।

আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে নতুন করে সীমান্ত সং’ঘাত শুরু হওয়ার পরপরই ওই দুই দেশের নেতাদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ। তাঁরা আর্মেনিয়া ও আজারবাইজনকে অবিলম্বে যু’দ্ধ’বিরতি প্রতিষ্ঠা করে আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় দুদেশকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন।

১৯৮০’র দশকের শেষদিকে কারাবাখ অঞ্চলে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে যু’দ্ধ শুরু হয়। ১৯৯১ সালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মুহূর্তে সং’ঘর্ষ চূড়ান্ত আকার ধারণ করে। ১৯৯৪ সালে দুপক্ষের মধ্যে যু’দ্ধ’বিরতি প্রতিষ্ঠার আগ পর্যন্ত এ সং’ঘ’র্ষে ৩০ হাজার মানুষ প্রাণ হা’রায়। আন্তর্জাতিকভাবে কারাবাখ অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত হলেও আর্মেনিয়ার সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ে তা নিয়ন্ত্রণ করছে সেখানকার আর্মেনীয় বংশোদ্ভূতরা।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন