জয়পুরহাটে ৩ ব্যবসায়ীর ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা জ’রিমানা

প্রকাশিত: অক্টো ৫, ২০২০ / ১০:২২অপরাহ্ণ
জয়পুরহাটে ৩ ব্যবসায়ীর ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা জ’রিমানা

জয়পুরহাটে কৃত্রিম সং’কট সৃষ্টি করে স্থানীয় হাট-বাজারে ধানের দাম বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ৩টি গোডাউনে অ’বৈধভাবে প্রায় সাড়ে ৪শ’ টন ধান মজুত রাখায় নুর ইসলাম (৩৭), নবীবর রহমান (৩৫) ও রবিউল ইসলাম (৪৯) নামে তিন ধান ব্যবসায়ীর মোট ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা জ’রিমানা ও ওই ধান জ’ব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এই তিন ব্যবসায়ীর বাড়ি জয়পুরহাটের সদর উপজেলার পল্লী বালা ও মল্লিকপুর গ্রামে। জয়পুরহাটের সদর উপজেলার ভারত সীমান্ত সংলগ্ন পল্লীবালা বাজারে রোববার বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত র্যা ব ও জেলা খাদ্য অধিদফতরের কর্মকর্তাসহ জয়পুরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মিল্টন চন্দ্র রায় অ’ভিযান পরিচালনা করেন ।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ইউএনও মিল্টন চন্দ্র রায় সাংবাদিকদের জানান, র্যা ব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্পের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যানব ও জেলা খাদ্য অধিদফতরের কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে রোববার বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জয়পুরহাট সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী পল্লীবালা বাজারে আকস্মিক এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে পল্লীবালা বাজারের ৩টি গোডাউনে প্রায় সাড়ে ৪শ’ টন ধান মজুত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ওই তিন ব্যবসায়ী ট্রেড লাইসেন্স, খাদ্য অধিদফতরের মজুত লাইসেন্সসহ মার্কেটিং অফিসের কোনো লাইসেন্স দেখাতে না পারায় গোডাউনের মালিক ৩ ব্যবসায়ীকে অ’বৈধভাবে ধান মজুত রাখার দায়ে মোট ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা জ’রিমানা ও তাদের সব ধান জ’ব্দ করা হয়েছে। এই ব্যবসায়ীরা স্থানীয় হাট-বাজারে ধানের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়ানোর উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে এ ধান মজুত করেছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ অভিযানে র্যা ব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্পের কমান্ডার (অধিনায়ক) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাইমেনুর রশিদ, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বাবুল হোসেনসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন