ইউপি সদস্যের শয্যাস’ঙ্গী হয়েও সরকারি ঘর পেলেন না গৃহবধূ

প্রকাশিত: অক্টো ২, ২০২০ / ১১:০৪পূর্বাহ্ণ
ইউপি সদস্যের শয্যাস’ঙ্গী হয়েও সরকারি ঘর পেলেন না গৃহবধূ

একটি ঘরের আশায় ইউপি সদস্যের কাছে দেয়া হয় এনআইডি কার্ড ও ছবি। পরে সেই ঘর পাওয়ার আশ্বাসে একাধিকার ইউপি সদস্যের শ’য্যাসঙ্গী হন গৃ’হবধূ। কিন্তু তারপরও ঘর না পেয়ে ইউপি সদস্যের বি’রুদ্ধে ধ’র্ষণ মা’মলা করেছেন তিনি।

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজে’লার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন টনকি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য মজিবুর রহমানের বি’রুদ্ধে এমন অ’ভিযোগে কুমিল্লার না’রী-শি’শু আ’দালতে মা’মলা দা’য়ের হয়েছে। বি’ষয়টি এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ঘটনা ত’দন্তে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আ’দালত কুমিল্লার পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার আ’দালত থেকে মা’মলার নথি পিবিআই কুমিল্লা কার্যালয়ে পৌঁছায়।

মা’মলার অ’ভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জে’লার মুরাদনগর উপজে’লার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন টনকি গ্রামের এক সিএনজি চালকের স্ত্রী একটি বাসগৃহের জন্য স্থানীয় ৪নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মজিবুর রহমানের কাছে অনুরোধ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ওই গৃ’হবধূকে একটি ঘর দেয়ার আশ্বাসে তার ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেয়ার পর তার বাড়িতে যাতায়াত শুরু করেন ইউপি সদস্য মজিবুর রহমান।
এক পর্যায়ে তাকে শা’রীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিলে ওই গৃ’হবধূ প্রথমে রাজি না হলেও ঘর দেয়ার প্রলোভনসহ নানা কৌশলে তাকে ধ’র্ষণ করেন মজিবুর রহমান। কিন্তু স’রকারি বরাদ্দে ঘর না পাওয়ায় ইউপি সদস্যকে চা’প দিতে থাকেন গৃ’হবধূ।

সর্বশেষ গত ১০ সেপ্টেম্বর ঘটে বিপত্তি। ওই গৃ’হবধূর সঙ্গে ফের শা’রীরিক সম্পর্ক করতে যান অ’ভিযুক্ত ইউপি সদস্য। এ সময় গৃ’হবধূ বা’ধা দিলেও তিনি ধ’র্ষণ করার চেষ্টা করলে গৃ’হবধূর চি’ৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উ’দ্ধার করে উপজে’লা স্বা’স্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ সময় পা’লিয়ে যান ইউপি সদস্য।

ওই গৃ’হবধূ বলেন, ‘আমি সুস্থ হয়ে ঘটনার দু’দিন পর থানায় মা’মলা করতে গেলে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা মা’মলা গ্রহণ না করে আ’দালতে অ’ভিযোগ দা’য়েরের পরামর্শ দেন। ১৪ সেপ্টেম্বর অ’ভিযোগ দা’য়ের করলে আ’দালত ঘটনার ত’দন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লার পিবিআইকে নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু এখনও মাঠ পর্যায়ে ত’দন্ত শুরু হয়নি।’

তবে ইউপি সদস্য মজিবুর রহমান তার বি’রুদ্ধে আনীত অ’ভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এলাকার একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমার বি’রুদ্ধে ষ’ড়যন্ত্র করে ওই গৃ’হবধূকে দিয়ে মি’থ্যা মা’মলা করিয়েছে। এ সব ঘটনার সঙ্গে আমি জ’ড়িত নই। ষ’ড়যন্ত্রকারীরা আমার বি’রুদ্ধে একে একে চারটি মা’মলা দিয়েছে। এ বি’ষয়ে মা’মলার ত’দন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শামীম মিয়া বলেন, আ’দালত থেকে ধ’র্ষিতার অ’ভিযোগ পেয়েছি। তাকে ডাক্তারি পরীক্ষাসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে ত’দন্ত এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে।

ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে অ’ভিযুক্তের বি’রুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি কামরুজ্জামন তালুকদার বলেন, এ বি’ষয়ে আমি কিছুই জানি না। আমার কাছে এ ধরনের কোনো অ’ভিযোগ করতে কেউ আসেনি। যদি কেউ অ’ভিযোগ করতো তাহলে অবশ্যই ত’দন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হতো।

সূত্র : জাগো নিউজ

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন