কিশোরীকে আ’ট’কে রেখে তিন দিন ধরে ধ’র্ষ’ণ করল দুই বন্ধু

প্রকাশিত: সেপ্টে ২৩, ২০২০ / ১১:৫৯অপরাহ্ণ
কিশোরীকে আ’ট’কে রেখে তিন দিন ধরে ধ’র্ষ’ণ করল দুই বন্ধু

কক্সবাজারের চকরিয়ার এক কিশোরীকে প্রথমে অ’প’হ’রণ ও পরে জেলা শহরের একটি হোটেলকক্ষে তিন দিন আটকে রেখে দুই বন্ধু মিলে উপর্যুপরি ধ’র্ষ’ণের অভিযোগ উঠেছে। ধ’র্ষি’তা তরুণীর বাড়ি কাকারা ইউনিয়নের দক্ষিণ কাকারায়।

এ ঘটনায় কিশোরীর ভাই বাদী হয়ে দুজনের বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় মামলা রুজু করেছে আজ বুধবার। স্থানীয় জনতার সহায়তায় পুলিশ এক ধ’র্ষ’ককে গ্রে’প্তা’র করেছে। ধ’র্ষি’তা কিশোরীকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ওসিসিতে পাঠানো হয়েছে।

মা’ম’লার আ’সা’মি দুই ধ’র্ষ’ক হলেন, চকরিয়ার ফাঁ’সি’য়াখালী ইউনিয়নের উত্তর ঘুনিয়া গ্রামের মো. কামাল উদ্দিনের ছেলে শেফায়েত হোসেন (২২) ও একই ইউনিয়নের ফকিরাবাজারের নুরুল আবচারের ছেলে মহিউদ্দিন প্রকাশ ইমন (২২)।

এর মধ্যে ধ’র্ষ’ক শেফায়েত হোসেনকে গ্রে’প্তা’র করেছে পুলিশ। পলাতক রয়েছে মহিউদ্দিন প্রকাশ ইমন। দুই ধ’র্ষ’ক বন্ধু পেশায় ইজিবাইক (টমটম) চালক।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভাবীর সঙ্গে তার বাবার বাড়ি চকরিয়া পৌরসভার ভাঙারমুখে বেড়াতে যায় ১৩ বছরের ওই কিশোরী।

সেখানে তিন দিন অবস্থান করার পর রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে কাকারায় বাড়ি ফেরার সময় ভাঙারমুখ স্টেশন থেকে দুই বন্ধু মিলে কিশোরীকে প্রথমে টমটমে তুলে অ’জ্ঞা’ত স্থানে নিয়ে যায়।

এর পর বিকেলে কিশোরীকে নিয়ে যাওয়া হয় কক্সবাজার শহরের ‘জিয়া গেস্ট ইন’ আবাসিক হোটেলে। সেখানে তিন দিন ধরে আ’ট’কে রেখে দুই বন্ধু মিলে উপর্যুপরী ধ’র্ষ’ণ করে।

এর পর তরুণীকে চকরিয়ার জিদ্দাবাজার স্টেশনে এনে ফেলে যাওয়ার সময় কিশোরী চিৎকার করলে স্থানীয় জনতা ধ’র্ষ’ক শেফায়েতকে আ’ট’ক করে পুলিশে খবর দেয়।

চকরিয়া থানার পুলিশ পরির্দশক (তদন্ত) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় কিশোরীর ভাই বাদী হয়ে দুই যুবকের বি’রু’দ্ধে মা’ম’লা রুজু করেছে। এ ঘটনায় এক ধ’র্ষ’ক’কে স্থানীয় জনতার সহায়তায় গ্রে’প্তা’র করা হয়েছে। অপর ধ’র্ষ’ককে গ্রে’প্তা’রের চেষ্টা চলছে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন