থাইল্যান্ডে রাজার বি’রু’দ্ধে ব্যা’পক বি’ক্ষো’ভ

প্রকাশিত: সেপ্টে ২০, ২০২০ / ০৯:১৯অপরাহ্ণ
থাইল্যান্ডে রাজার বি’রু’দ্ধে ব্যা’পক বি’ক্ষো’ভ

থাইল্যান্ডের রাজা মহা ভাজিরালংকর্নের বি’রুদ্ধে ব্যাপক বি’ক্ষো’ভ চলছে। আজ রোববার রাজধানী ব্যাংককে মি’ছিল করেছে হাজার হাজার বি’ক্ষো’ভকারী। রাস্তায় নেমে আসা বি’ক্ষো’ভকারীরা রাজার ক্ষমতা খর্বকরাসহ বিভিন্ন দাবি জানিয়ে স্লো’গান দেয়।

থাইল্যান্ডের রাজপ্রাসাদ ও সামরিক কর্তৃত্বাধীন প্রশাসনের বি’রুদ্ধে দুই মাস ধরে চলা বি’ক্ষো’ভ ও সমাবেশের পর প্র’তিবাদ’কারীরা আবারও নেমে এসেছে। রাজতন্ত্রের সমালোচনার বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা নি’ষেধাজ্ঞা ল’ঙ্ঘন করছে তারা। থাইল্যান্ডের আইন অনুযায়ী রাজার সমালোচনা করা শা’স্তি’যোগ্য অপরাধ। এই মুহূর্তে রাজা ভাজিরালংকর্ন দেশে নেই।

বি’ক্ষো’ভকারীরা মিছিল নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় শতশত নিরস্ত্র পুলিশ তাদের গতিরোধ করে। রয়্যাল গার্ড পুলিশ তাদের দাবিগুলো সদরদপ্তরে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে।

প্রতিবাদকারীদের দাবির মধ্যে রয়েছে রাজতন্ত্রের ক্ষমতা খর্ব করাসহ সাবেক জান্তা প্রধান প্রায়ুথ চান ওচাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া। পাশাপাশি নতুন সংবিধান ও নির্বাচনের ব্যবস্থা করারও দাবি জানিয়েছে বি’ক্ষো’ভকারীরা।

এ সময় ‘সামন্তবাদ নিপাত যাক, জনগণ মুক্তি পাক’ স্লোগান দেয় বি’ক্ষো’ভকারীরা।

থাইল্যান্ডে দীর্ঘদিন ধরে রাজা মহা ভাজিরালংকর্নের সমালোচনা নি’ষিদ্ধের যে প্রথা চলে আসছে, বি’ক্ষো’ভকারীরা তাও ভঙ্গ করেছে। তবে এতে কোনো সং’ঘাতের খবর পাওয়া যায়নি। সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

ব্যাংককের থাম্মাসাত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের প্রায় ১৫ হাজার জনতা। থাই সরকারের বি’রুদ্ধে এত বড় বি’ক্ষো’ভ সাম্প্রতিক সময়ে আর দেখা যায়নি।

ছাত্রনেতা পানুপং মাইক জাদনক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা রাজাকে তাঁর সঠিক মর্যাদায় আসীন করতে চাই। ছুড়ে ফেলতে চাই না। আশা করি, আমাদের আ’ন্দো’লনের মাধ্যমে ক্ষমতার মসনদে বসা ব্যক্তিরা জনগণের গুরুত্বটা বুঝতে পারবেন।’

এ বছরের মধ্য জুলাই থেকে সামরিক জান্তা সমর্থিত প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথের পদত্যাগ, নতুন সংবিধান ও নির্বাচনের দাবিতে থাইল্যান্ডে আ’ন্দোলন শুরু হয়।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন