স’মালোচনা নিতে পারে না ভারতীয়রা, ইংরেজিও বোঝে না: সঞ্জয় মাঞ্জরেকার

প্রকাশিত: সেপ্টে ১৯, ২০২০ / ০১:৩০পূর্বাহ্ণ
স’মালোচনা নিতে পারে না ভারতীয়রা, ইংরেজিও বোঝে না: সঞ্জয় মাঞ্জরেকার

ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার সঞ্জয় মাঞ্জরেকারকে ধারাভাষ্যকার হিসেবে নিযুক্ত না করার সিদ্ধান্তে অটল দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। আসন্ন আইপিএলের আগে নিজের বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন সঞ্জয়।

তবে বিসিসিআইয়ের মন গলেনি। আগামীকাল শনিবার থেকে শুরু হতে চলা আইপিএলে ধারা’ভাষ্য দেওয়ার অনুমতি পাননি সঞ্জয়। খবরটি পুরনো হলেও এতদিন পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।

রবীন্দ্র জাদেজাকে ‘বিটস অ্যান্ড পিসেস’ বলার পর মাঞ্জরেকারের বি’রু’দ্ধে ক্রিকেট সমর্থকেরা ক্ষু’ব্ধ হয়ে ওঠে। এরপর বাংলাদেশ-ভারতের ঐতিহাসিক দিবা-রাত্রির টেস্টে তার সঙ্গে ঝা’মে’লা লাগে আরেক জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার হর্ষ ভোগলের।

এতে বিসিসিআইও তার উপর ক্ষু’ব্ধ হয়। শেষপর্যন্ত তাকে ধারাভাষ্য প্যানেল থেকেই ছাঁটাই করা হয়। তবে আইপিএলে ধারাভাষ্য দেওয়ার সুযোগ হারিয়ে সঞ্জয় খুব একটা ব্যথিত নন।

আইপিএলে সুযোগ না পেলেও ক্রিকনইফোর হয়ে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন সঞ্জয়। তার দাবি, ভারতীয়রা স’মা’লোচনা সামলাতে পারেন না বলেই এসব বিতর্কের জন্ম হয়। এছাড়া ইংরেজি বুঝতে না পারাকেও তাকে ঘিরে তৈরি হওয়া এসব বিতর্কের কারণ।

তার ভাষায়, ‘আমরা ভারতীয়রা স’মা’লোচনার ক্ষেত্রে খুবই স্পর্শকাতর। আরেকটি সমস্যা হল- বেশিরভাগ মানুষই ইংরেজি ভুলভাবে বোঝে। বেশিরভাগ মানুষের কাছে এটি দ্বিতীয় ভাষা নয়। তাই আমার অনেক কথাই মানুষ ভুল বোঝে।’

নিজের দাবির পক্ষে যুক্তি দিয়ে সঞ্জয় বলেছেন, ‘আমি যখন বলেছিলাম টেন্ডুলকার সম্পর্কিত ইস্যুগুলো “হোয়াইট ইলিফ্যান্ট ইন দ্যা রুম” এর মতো। সবাই ভেবেছে আমি তাকে সাদা হাতি বলেছি। “বটস অ্যান্ড পিসেস” বলায় মানুষ ভেবেছে আমি খেলোয়াড়টিকে খাটো করেছি।

কিন্তু আমি যদি অ-বিশেষজ্ঞ বলতাম তাহলে এত হইচই হতই না। ইংরেজিতে মূল্যায়ন করতে গেলে এটি বড় এক সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। আমরা তো ধরেই নেই সবাই আমাদের কথা বুঝতে পারছে।’

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন