যুবককে হ’ত্যার ৬ দিন পর লা’শ ফেরত দিলো ভারত

প্রকাশিত: মে ২৯, ২০২০ / ১১:১২অপরাহ্ণ
যুবককে হ’ত্যার ৬ দিন পর লা’শ ফেরত দিলো ভারত

গরু চো’র স’ন্দেহে লোকমান মিয়া নামে এক বাংলাদেশি যুবককে পি’টি’য়ে হ’ত্যা করে ভারতীয় নাগরিকরা। হ’ত্যা’র ৬ দিন পর শুক্রবার সন্ধ্যায় ভারতের পশ্চিম ত্রিপুরার মোহনপুর সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ ও ভারতীয় পুলিশ লোকমান মিয়ার লা’শ ফেরত দিয়েছে।

বাংলাদেশের পক্ষে মাধবপুর থানার কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর মোর্শেদ আলম ভারতের পশ্চিম ত্রিপুরার সিধাই থানার এসপি কামাল মজুমদারের নিকট থেকে লা’শ গ্রহণ করেন।

পরে লোকমানের মরদেহ তার ভাই হুমায়ুন ও ধর্মঘর ইউপি চেয়ারম্যান শামসুল ইসলাম কামালের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়। লোকমান মিয়া মাধবপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী ধর্মঘর ইউনিয়নের মালঞ্চপুর গ্রামের মৃ’ত আবদুল হাসিমের ছেলে।

নি’হ’তের পরিবার জানায়, গত ২৪ মে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের ত্রিপুরার মোহনপুর এলাকায় ফুফুর বাড়ি বেড়াতে যাচ্ছিলেন লোকমান। একদল ভারতীয় নাগরিক তাকে গরুচো’র স’ন্দেহে এ’লো’পাতাড়ি পি’টা’তে থাকে। এ সময় তিনি বেড়াতে এসেছেন জানালেও ভারতীয়দের মন গলেনি।

খবর পেয়ে পশ্চিম ত্রিপুরার সিধাই থানার পুলিশ মু’মূ’র্ষু অবস্থায় তাকে উ’দ্ধা’র করে একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে লোকমানের মৃ’ত্যু হয়। সিধাই থানা পুলিশ বাংলাদেশের পুলিশ প্রতিনিধি ও বিজিবিকে অবগত করে। এ ব্যাপারে একটি অপমৃ’ত্যু মা’ম’লা হয়েছে। এ সময় বাংলাদেশের বিজিবি ও পুলিশ প্রতিনিধিরা কড়া প্র’তি’বাদ করেন।

বুধবার বিকালে সীমান্তের ১৯৯৪/৪ এস পিলারের কাছে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক হয়। ভারতের পক্ষে ১২০ ব্যাটালিয়নের মোহনপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার ইন্সপেক্টর শশি কান্ত ও বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্বদেন ৫৫ বিজিবির ধর্মঘর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার দেলোয়ার হোসেন।

বৈঠক শেষে পশ্চিম ত্রিপুরার সিধাই থানার ইন্সপেক্টর বিজয় সিং ময়নাতদন্ত, সুরতহাল রিপোর্ট আনুষঙ্গিক কাগজপত্র ছাড়া লা’শ হস্তান্তর করতে চায়।

এতে বাংলাদেশের পুলিশের প্রতিনিধি ইন্সপেক্টর মোর্শেদ আলম ও এসআই কামরুল কাগজপত্র ছাড়া মরদেহ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান। ফলে লাশ গ্রহণ প্রক্রিয়া হয়নি। টানা তিনদিন দুই দেশের পুলিশ ও সীমান্ত রক্ষীরা কয়েক দফা বৈঠক শেষে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে মোহনপুর সীমান্তে ১৯৯৪/এস ৪ এলাকা দিয়ে সিধাই থানার এসিপি কামাল মজুমদার বাংলাদেশের বাসিন্দা লোকমান মিয়ার ম’র’দে’হ ও আনুষঙ্গিক কাগজপত্রসহ মাধবপুর থানা পুলিশের কাছ বুঝিয়ে দেয়।

নি’হ’তের ভাই হুমাইয়ুন ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শামসুল ইসলাম কামাল লা’শ গ্রহণ করেন। হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন ৫৫ বিজির সহকারী পরিচালক নাসির উদ্দিন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সুত্রঃ যুগান্তর

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন